নিউজ ডেক্স >>> এদিকে অভিযানের আগেই তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার কারণে কিছু অপরাধী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে ড্রোন ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) মো. রাসেল বলেন, “জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।”এদিকে র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, “জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধ ও সন্ত্রাসমুক্ত করতেই এই সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির সমন্বয়ে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে এটি আরও বিস্তৃত করা হবে।”পুলিশের আরেক কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, “অভিযান চলমান থাকায় এখনই অস্ত্র উদ্ধার বা গ্রেপ্তারের নির্দিষ্ট সংখ্যা বলা যাচ্ছে না। অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত জানানো হবে। এলাকায় ভবিষ্যতে অভিযান পরিচালনা সহজ করতে যৌথবাহিনীর একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।”আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অপরাধ দমন ও স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।