এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম >>> ঢাকাসহ অন্যান্য শহরের মতো ডিজিটাল সাইনবোর্ড ও এলইডি বোর্ড অনুমোদন দেওয়া হবে। কোনো পলিটিক্যাল মাসলম্যান বা পাওয়ারম্যান এর সাথে কোথাও আমি কম্প্রোমাইজ করিনি।চট্টগ্রাম নগরীকে পরিকল্পিত, দৃষ্টিনন্দন ও পরিচ্ছন্ন মহানগর হিসেবে গড়ে তুলতে বিলবোর্ড ও অবৈধ বিজ্ঞাপন স্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এ লক্ষ্যে নগরীতে বিলবোর্ড উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর কাজীর দেউড়ি মোড়ে বিলবোর্ড উচ্ছেদ অভিযানের সময় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “কোনো ধরনের বিলবোর্ড শহরে থাকবে না। নির্বাচনকালীন সময়ে কেউ আমাদের সঙ্গে কথা না বলে এগুলো স্থাপন করেছে। এখন আমরা এগুলো দেখতে পাচ্ছি। কারা করেছে, তা শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। যেহেতু এখনো শনাক্ত করা যায়নি, তাই আমরা নিজেরাই কেটে ফেলছি।”চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সীমানা সংলগ্ন সড়কের ওপর স্থাপিত বিলবোর্ডের খুঁটি উচ্ছেদ কার্যক্রমে সরাসরি নেতৃত্ব দেন মেয়র।তিনি আরও বলেন, “ঢাকাসহ অন্যান্য শহরের মতো ডিজিটাল সাইনবোর্ড ও এলইডি বোর্ড অনুমোদন দেওয়া হবে। তবে যেসব বড় বিলবোর্ড নগরীর সৌন্দর্য নষ্ট করছে, সেগুলো কোনোভাবেই অনুমোদন দেওয়া হবে না। যেখানে যেখানে এ ধরনের বিলবোর্ড বসানো হয়েছে, প্রতিটি জায়গা থেকেই উচ্ছেদ করা হবে।”বিলবোর্ড উচ্ছেদ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, “এখানে কোনো রাজনীতি, কোনো পলিটিক্যাল মাসলম্যান বা পাওয়ারম্যান কাজ করতে পারবে না। আপনারা দেখেছেন, কোথাও আমি কম্প্রোমাইজ করিনি। এখানে কোনো চাপ নেই। আমাদের সদিচ্ছা না থাকলে আমরা উচ্ছেদ করতাম না।”সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা জানান, বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এ অভিযান ধারাবাহিকভাবে পুরো নগরীতে পরিচালিত হবে।