মোঃ ফারুক হোসেন আদিতমারী প্রতিনিধি (লালমনিরহাট) >>> আদিতমারী – কালীগঞ্জ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ঘোষণায় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে স্বস্তি, উৎসবমুখর পরিবেশ দীর্ঘদিনের জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী–কালীগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন পেলেন রোকনউদ্দিন বাবুল। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তে তাকে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়।মনোনয়ন ঘোষণার পরপরই কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা ও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিভিন্ন এলাকায় মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই আসনে প্রার্থী নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার অবসান হওয়ায় সাধারণ ভোটারদের মাঝেও স্বস্তি ফিরে এসেছে।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সাংগঠনিক দক্ষতা, জনসম্পৃক্ততা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ এবং তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতার কারণেই রোকনউদ্দিন বাবুলকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এলাকায় তার জনপ্রিয়তা ও জনসংযোগ বিএনপির জন্য বড় শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, রোকনউদ্দিন বাবুল একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা। তিনি সুখে–দুঃখে মানুষের পাশে থেকেছেন। তার মনোনয়নে দল আরও সংগঠিত হবে এবং আগামী নির্বাচনে লালমনিরহাট-২ আসনে ধানের শীষের বিজয় অনেকটাই নিশ্চিত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।মনোনয়ন প্রসঙ্গে রোকনউদ্দিন বাবুল বলেন,“আমি দীর্ঘদিন ধরে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাইনি। হাইকমান্ডের প্রতি আমার আস্থা ছিল। যোগ্য মনে করেই দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। এখন আমার প্রধান দায়িত্ব হলো এই আসনে বিজয় অর্জন করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করা। এ জন্য আমি সবার সহযোগিতা কামনা করছি।”রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রোকনউদ্দিন বাবুলের মনোনয়ন লালমনিরহাট-২ আসনে নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। গণমানুষের ভোটে বিজয়ের আশার আলো দেখছে বিএনপি সমর্থকরা।সব মিলিয়ে, ধানের শীষের প্রার্থী ঘোষণার মধ্য দিয়ে লালমনিরহাট-২ আসনে নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে, আর সাধারণ ভোটাররা তাকিয়ে আছেন আগামী দিনের দিকে—পরিবর্তনের