আনোয়ার হোসেন,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)প্রতিনিধি >>> বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মাত্রারিক্ত প্লাস্টিক দূষণের ফলে পরিবেশ- প্রকৃতি চরম হুমকির মুখে পড়েছে। তাই প্লাস্টিক দূষণ আর নয়, বন্ধ করার এখনই সময় এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জকে সবুজায়ন ও পরিচ্ছন্ন উপজেলা গঠনে রাস্তার পাশে বৃক্ষ রোপণ ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (৬ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে ও কিশোরগঞ্জ এপি, ওয়ার্ল্ড ভিশনের সহযোগিতায় রনচন্ডি ইউনিয়নের কুঠি পাড়া গ্রামের রাস্তার পাশে ৫ শতাধিক বজ্র নিধোরক তাল গাছ রোপণের মধ্য দিয়ে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোন করা হয়। এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন প্রকৃতি ও মানব প্রেমী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রীতম সাহা। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ.বি.এম সারোয়ার রাব্বী, কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম, সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান, এপি ম্যানেজার সাগর ডি’ কস্তা, প্রোগ্রাম অফিসার আনোয়ার হোসেন ও সুরেশ কুমার রায় প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও প্রীতম সাহা বলেন, আমি রৌদ্রজ্জ্বল দুপুরে অত্যান্ত আনন্দের সাথে বলতে চাই, আমরা এই উপজেলাকে প্লাস্টিক দূষণ মুক্ত ঘোষনা করতে চাই এবং সেই সাথে চাই পুরো উপজেলা সবুজে ভরে উঠুক। এই যে আমার চারপাশে সবুজ ফসলি ক্ষেত ও পাশে বাগান দেখতে পাচ্ছি। আমরা চাই উপজেলার প্রত্যেকটি রাস্তা সবুজে ভরে যাক। আমরা সবগুলে রাস্তা কোন না কোন গাছ দিয়ে আচ্ছাদিত করতে চাই। এতে যেমন আমাদের সবুজের প্রতি মুগ্ধতা বাড়বে এবং সবুজ রাস্তা পাব আর রাস্তার যারা পথিক তারা একটা ছায়া সুনিবিড় শীতল রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারবেন। আমরা এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ওয়ার্ল্ড ভিশন এ ব্যাপারে সহযোগিতা করছে সার্বিকভাবে । পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড ভিশনের এ উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানাই। তিনি আরো বলেন, আমরা চাই কুঠি পাড়া রাস্তাটির দু’পাশে তালগাছ রোপণ করে এই রাস্তাটির নাম দিব তাল সারির রোড। এরকম আরো অনেক রাস্তা আছে এমন রাস্তার দুপাশে কৃষ্ণচূড়ার গাছ রোপণ করে নামকরণ দিব কৃষ্ণচূড়া সড়ক। আবার কোন কোন রাস্তার চারপাশে সজনে গাছ রোপণ করে এ রাস্তার নাম হবে সজনে সড়ক। ঠিক এমনি করে প্রত্যেকটি রাস্তা আমরা কোন না কোন ভাবেই সুন্দর করে একটি ইউনিট রাস্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই । যে রাস্তা শুধু এলাকার মানুষকে ছায়া দিবে তা না, ফুল দিয়ে সৌন্দর্য বর্ধন করবে, ফলের গাছ থাকবে সেখান থেকে এলাকার মানুষ ফলের স্বাদ আস্বাদন করবে । যা একটা সময় রাস্তাগুলো পর্যটন স্থান হিসেবে খ্যাতি লাভ করবে। শুধু গাছ রোপন করলে হবে না ছোট শিশুর মত তিল তিল করে ভোলার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।