মোঃ সোহেল রানা,বান্দরবান প্রতিনিধি >>> বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমারের অভ্যন্তরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। সীমান্তের ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৮ ও ৪৯ নম্বর আন্তর্জাতিক পিলারসংলগ্ন এলাকাগুলো থেকে প্রচণ্ড গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,২৬ জুলাই সন্ধ্যার পরপরই মিয়ানমার সীমান্তের আরাকান রাজ্যের অভ্যন্তরে অজ্ঞাত স্থানে ভারী অস্ত্রের গুলির শব্দ শোনা যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘আরাকান আর্মি’ এবং মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বান্দরবানের বিজিবি-৩৪ ব্যাটালিয়নের একটি সূত্র জানায়, মিয়ানমারের ভেতরকার গোলাগুলির শব্দ স্পষ্টভাবে শোনা গেলেও বাংলাদেশের সীমান্তের ভেতরে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে একাধিকবার মিয়ানমার অভ্যন্তরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। মার্চ ২০২৫-এ একই সীমান্ত এলাকায় গুলিতে দু’জন আহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে একজন রোহিঙ্গা ও অপরজন স্থানীয় যুবক ছিলেন।সীমান্তবর্তী মানুষজনের দাবি, গোলাগুলি বন্ধ না হলে তাদের বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়বে। তারা সরকারের কাছে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।