
সোহেল রানা,তানোর( রাজশাহী) প্রতিনিধি >>> রাজশাহীর তানোরের কৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয় নানা সমস্যায় জর্জরিত ও পাঠদান ব্যাহত। বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন,কম্পিউটার ল্যাব, বিজ্ঞানাগার,লাইব্রেরী ও সীমানা প্রাচীর প্রয়োজন। এখানো ঝুঁকিপুর্ণ মাটির ঘরে খুড়িয়ে খুড়িয়ে পাঠদান চলছে। বিজ্ঞান ও কম্পিউটার ক্লাস হয় না। কৃষ্ণপুর বাজার সংলগ্ন অবস্থান প্রতিষ্ঠানটির। শহরের মতো আধূনিক পাঠদান দেয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে একদল অনভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী। যারা বিষয় ভিত্তিক মানসম্মত আধূনিক পাঠদানের চেষ্টা করছে। পরীক্ষায় ধারাবাহিক কিছুটা সাফল্য ধরে রেখেছেন।জানা গেছে ১৯৬৭ সালে উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দুরে পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) কৃষ্ণপুর গ্রামে এক একর জমির উপর কৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন ও ১৯৮০ সালে এমপিওভুক্তকরণ হয়। বিদ্যালয়ে ১৩ জন শিক্ষক ও ৬ জন কর্মচারী এবং প্রায় ৩৮৬ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।গত শিক্ষাবর্ষে এসএসসি পরীক্ষায় ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর ৯৭ জনই উত্তীর্ণ হয়েছে,এর মধ্যে ১০ জন এপ্লাস পেয়েছেন,পাশের হার শতভাগ। চলতি শিক্ষাবর্ষে ৫৯ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবেন।জানা গেছে, উপজেলার কৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয় গ্রামীণ জনপদের ছেলেমেয়েদের ঘরের পাশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃস্টি করে দিয়েছে। শহর বা গ্রাম বলে কোনো কথা নয় প্রতিষ্ঠান প্রধানের চিত্রাঙ্কন, খেলা-ধূলা ও বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয় এতে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা সদিচ্ছা থাকলে যে কোনো স্থানে সুন্দর পরিবেশে সৃষ্টি ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করে শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা যায় কৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয় তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত বিতর্ক প্রতিযোগীতা হয়।এবিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম রাব্বানী বলেন, অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা মানসম্মত শিক্ষা প্রদানে প্রাণপন চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, তাদের একটা একাডেমিক ভবন প্রয়োজন, এছাড়াও বিজ্ঞানাগার, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরী ও সীমানা প্রচীর প্রয়োজন।তাহলে তারা শিক্ষা বিস্তারে আরো বেশী অবদান রাখতে পারবেন।