এইচ,এম শহিদুল ইসলাম পেকুয়া থেকে>>> পেকুয়ায় রাজাখালীতে পরিত্যক্ত ঘর পুড়িয়ে নিরহ মানুষদের হয়রানির অভিযোগ এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে।জানা যায়-পেকুয়া উপজেলা রাজাখালী ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডের টেক ঘোনা এলাকার মৃত্যু রাজা মিয়ার স্ত্রী ছেনুয়ারা আরা বেগম প্রকাশ পুতিলা ও তার ছেলে(প্রবাসী) আজমগীর,মোশারফ, আজিজ তাহার বোন আমেনা সহ এলাকার বেশ কয়েকজন মিলে একঐ একালার আবুল হোসেনের ছেলে- বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মোঃ ফোরকান-গং তাদের পরিবারের জায়গা জমির পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিভিন্ন হয়রানি করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এমন কি বেশ কয়েকদিন আগে আজমগীর গং তাঁদের নিজ একটি পরিত্যক্ত(ছাগল পালনের ঘর)- ছাগল বিহীন।সমাজ সেবক ফোরকান গং কে ফাঁসাতে রাতের আঁধারে পরিত্যক্ত ঘর পুড়িয়ে দিয়ে বিভিন্নভাবে মামলা হামলার ভয় ভিত্তি দেখিয়ে তদন্ত সাপেক্ষ মামলা দায়ী না হওয়ায় সম্প্রতি আবারও গত২২ সেপ্টেম্বর রবিরার (দিবাগত) গভীর রাতে আজমগীর গং এর থাকা আরো একটি পরিত্যক্ত বাড়ি পুড়িয়ে দিয়ে মামলা করার পাঁইতারা করছেন।ভুক্তভোগী সমাজ সেবক মোঃফোরকান বলেন আমি চাকরির ক্ষেত্রে বেশি সময় চট্টগ্রামে থাকি-ছেনুয়ারা বেগম ও তার ছেলে মেয়েরা ২০১৬ সাল থেকেই আমাদের মান সম্মান হানি করতে বিভিন্ন অপ্রীতিকর কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন যা আজ অব্দি পযন্ত চলছে।আজমগীর (প্রবাসী)গং এদের আরো দুটি পরিত্যক্ত ঘর রয়েছে সেগুলো আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতির খবর শুনা যাচ্ছে। হয়তো সে পরিত্যক্ত ঘর রাতে নিজেরা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে আমাদের নামে মামলা করার পাঁইতারা করছে।ভুক্তভোগী সমাজ সেবক মোঃ ফোরকান বলেন-আমার ছোট ভাই মিজান, ইমরান,ইরফান ও আমার চাচাতো ভাই আব্দুর রহমান ফারভেজ,চাচা আলি হোসেন,চাচা কবির হোসেন,চাচা কামাল হোসেন,ওসমান,ফাহিম ও সাহাদাত কে মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি ধমকি দিচ্ছেন।ভুক্তভোগী মোঃ ফোরকান আরো বলেন- আমি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন, সমাজ সেবার কাজে জড়িত।একটি প্রভাবশালী ব্যাক্তির ইন্ধনে আমাকে সমাজ সেবা থেকে সরিয়ে রাখতে এই অপপ্রচার ও মামলা দিয়ে এলাকা বাসীর কাছ থেকে দুরে রাখার অপচেষ্টা।আমি ও আমার পরিবার মৃত্যু রাজা মিয়ার স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগম গং এর কাছ থেকে বিভিন্ন হয়রানি থেকে বাঁচতে চাই।এবং প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা কামনা করছি।