পেকুয়া প্রতিনিধি>>> কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলায় গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ফিশিং ট্রলারে ডাকাতি করে ১৫ লাখ টাকার ইলিশ লুট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।২১ আগস্ট বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়ন ও উজানটিয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কাটাফাঁড়ী খালে এ ডাকাতি হয় বলে জানা যায়।ডাকাতির শিকার ফিশিং ট্রলারের মাঝি আবুল কালাম জানিয়েছেন,গত ১১ আগস্ট ২৫জন মাঝি ও জেলে নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যায় তারা।১৯ আগস্ট সাগরে অবস্থান করে আনুমানিক সাড়ে তিন হাজার পিস ইলিশ ও অন্যান্য কিছু মাছ নিয়ে ২০ আগস্ট মঙ্গলবার বিকালে মাছগুলো কক্সবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে কুতুবদিয়া চ্যানেলে চলে আসে।আবহাওয়া প্রতিকুল হওয়ার কারনে তারা ভোলাখাল হয়ে মাতামুহুরি নদী পাড়ি দিয়ে কক্সবাজার যাওয়ার পেকুয়ার সুতাছোড়া ও বিলহাসুরা এলাকায় পৌঁছামাত্র ৫০-৬০ জনের একটি ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাদের ট্রলারে হামলা করে ট্রলারে সংরক্ষিত সব মাছ লুট করে নিয়ে যায় বলে জানায়।এসময় ডাকাতরা ট্রলারের সব জেলেদেরকে বেদম পিটিয়ে জখম করে।ফিশিং ট্রলারটির মালিক চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার জনৈক কাজেম আলী বলে জানা যায়। ট্রলার ডাকাতির খবর পেয়ে ট্রলারের মালিক কাজেম আলী পেকুয়ায় এসে জানান, “প্রায় পাঁচ লাখ টাকার বাজার সওদা করে ট্রলারটি সাগরে পাঠাইছিলাম।আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার মাছ ধরে মাঝিমাল্লাররা ফিরেও আসছিলো।কিন্তু ডাকাত দলের খপ্পরে পড়ে সব শেষ।” এব্যাপারে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।এব্যাপারে পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্য্যের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,ফিশিং ট্রলার সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নৌ পুলিশ দেখে থাকে।মামলা করতে হলে সেখানেই করতে হবে।