সোহেল রানা,তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধি>>> সময়ের প্রয়োজনে সময়,বেঁচে থাকাই যেন দায়।টিকে থাকাই মুশকিল।সংগ্রামী,নিন্ম-মধ্যবিত্তরা করছে লড়াই।শাক-সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারে প্রবেশ যেন অস্বস্তি ও আতঙ্কের আরেক নাম।ঝড়ছে নিন্ম-মধ্যবিত্তদের বাজারে গিয়ে ঘাম, অসময়ে কষ্ট উপার্জনে হচ্ছে না ঘরে সুনাম।চলছে বাজারে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বহু দুর্নাম।দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতিই যেন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।আলু কেজি ৬০৳, পিয়াজ ঠেকেছে শতকে, শসার কেজি ৮০৳,কাঁচা পেপে ৬০৳ কেজি,আদা কেজি ২৮০৳,রসুন ২২০-২৪০৳ কেজি প্রতি। শাক সবজি প্রায় সকল কিছুর দাম চড়া।কেজি প্রতি প্রায় অর্ধশতকের উপরেই অবস্থান করেছে সকল শাকসবজি।এদিকে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন,অসাধু ব্যবসায়ীদের মুনাফালোভী সিন্ডিকেট ও সম্প্রীতি সিলেট সুনামগঞ্জ সহ অন্যান্য বন্যাকবলিত জেলার বন্যায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি অস্বাভাবাবিক চূড়ায় উঠে এসেছে।সীমিত আয়ের মানুষদের সংসার চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।নিন্ম-মধ্যবিত্তদের জীবনে বাজারের নামে ক্লান্তির হতাশার চাঁদরে আবৃত।নেই স্বস্তির আভাস,বাজারের পন্যের এই ক্রমাগত বৃদ্ধিতে ভোক্তাগণ হতাশ।রঅসাধু-মুনাফালোভী নিকৃষ্ট মন মানসিকতা সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের হাতে জিম্মি ক্রেতাগণ।নিন্ম-মধ্যবিত্ত ভোক্তারা অসহায় নিরুপায় একপ্রকার ক্ষতিগ্রস্ত ঠিকানায় মিলছে ঠাই।নসরকার ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কঠোর ব্যবস্থাপনাই রেহাই ও স্বস্তির সমাধান দিতে পারে নিন্ম-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষদের।নিন্ম-মধ্যবিত্ত সর্বোপরি ক্রেতাগণেরা মনে বিশ্বাস করে,সরকার ও সংশ্লিষ্টদের শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাপনার বৃদ্ধায়নে পারবে নিন্ম-মধ্যবিত্তদের দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি দিতে।