নিজস্ব প্রতিবেদক >>> সাতকানিয়া উপজেলায় অবৈধভাবে দখলের সময় ১০ শতক খাস জায়গা উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা তালমৌ দিঘি এলাকায় সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে,১০ শতক জমি উদ্ধার করা করে।অভিযুক্ত মোহাম্মদ ফজল কবির মেম্বার,সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের,হালোয়া গুনা ছনখোলা এলাকার আহমদ হোসেন প্রকাশ আমুদ্দার পুত্র।মোহাম্মদ জিসান মেম্বার চট্টগ্রাম বাঁশখালী উপজেলার কালিপুর ইউনিয়নের আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকার কালু মিয়ার পুত্র।বুধবার(৬ জুন) দুপুর একটার দিকে সাতকানিয়া এওচিয়া ইউনিয়ন এর তালমৌ দিঘি এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানের নেতৃত্ব দেন,সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাস।অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন সাতকানিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব ফারিস্তা করিম।এসময় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ মামুন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জনাব মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন ফয়সল সহ আনসার বাহিনীর সদস্যরা।সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন বিশ্বাস বলেন,সাতকানিয়া-বাঁশখালী সীমান্তে সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়ন এর তালমৌ দিঘি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় বন বিভাগের মালিকানাধীন জমিতে অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ ও পাহাড় কাটায় বাঁশখালী উপজেলার কালিপুর ইউনিয়নের ০১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো জিসানুল ইসলাম (২৯) ও সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের ০১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফজল করিম (৪৮) কে অভিযুক্ত করা হয়। নির্মাণাধীন জায়গাটি বন বিভাগের মালিকানাধীন তা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব ফারিস্তা করিম নিশ্চিত করেন। উত্তরকৃত জমির পরিমাণ আনুমানিক ১০ শতক।পরবর্তীতে আমরা রেঞ্জ কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ মামুন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জনাব মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন ফয়সল কে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে ভূমি দখলের অপরাধে নিয়মিত মামলা করার জন্য পরামর্শ প্রদান করি।জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এ অভিযান অব্যহত থাকবে বলেও জানান তিনি।