মোহাম্মদ ঈমান উল্লাহ (ফটিকছড়ি -চট্টগ্রাম)>>> ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে লন্ড ভন্ড হয়েছে চট্টগ্রাম ফটিকছড়ির বেশ কিছু ইউনিয়ন।প্রচন্ড ঝড় আর ঝড়ো বাতাসের ফলে বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আর যোগাযোগ ব্যবস্থা।গাছ উপড়ে পড়ে ফটিকছড়ির বিভিন্ন জায়গায় আহতের খবর পাওয়া গেছে।তার মধ্যে ফটিকছড়ির কাঞ্চন নগরের দুই জনের অবস্থা আশংকাজনক।তারা হলেন।কালু মিয়া (৫৫) মাছ ব্যবসায়ি।মুন্সি মিয়া (৫২) ব্যবসায়ি।তারা ব্যবসার কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে অটোরিকশার উপর গাছ পড়ে আহত হলে মুমূর্ষ অবস্থা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গাছ পড়ে যোগাযোগ সাময়িক বন্ধ হয়েছে ফটিকছড়ি ও নাজিরহাট পৌর সভায়।পাইন্দং,লেলাং,সুয়াবিল,নানুপুর আজাদী বাজার,ধর্মপুর সহ বিভিন্ন ইউনিয়নে সাময়িক যোগাযোগ বন্ধ ছিল।অপর দিকে গহিরা-হেয়াকো সড়কের ফটিকছড়ি উপজেলা কমপ্লেক্স এর সামনে গাছ পড়ে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর একটি টিম দ্রুত গাছটি অপসারণ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।ঘূর্ণিঝড় রেমাল কে মোকাবিলা করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছে বলে জানানঃ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী।