আব্দুল্লাহ আল মারুফ নিজস্ব প্রতিবেদক >>> শিশুখাদ্য ফলের জুস তৈরি করে বাজারজাত করা হচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম সাতকানিয়া উপজেলা চমদর পাড়া এলাকায় ।উক্ত এলাকায় নকল জুস নিচু তৈরি হচ্ছে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কারখানাটিতে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।জব্দ করা হয়েছে বিপুল পরিমান ভেজাল জুস।সেখান থেকে বিপুল পরিমান ভেজাল জুস এবং লিচু ও বিভিন্ন মালামাল জব্দ করে আদালত। অবৈধভাবে জুস এবং লিচু লিচু তৈয়রীর অপরাধে ১ লাখ টাকা জরিমানা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কারখানাটি সেই সাথে উদ্ধারকৃত জুস এবং লিচু বিনষ্ট করা হয়েছে।রবিবার (০ ৫ মে) সাতকানিয়া পৌরসভা চমদর পাড়া এলাকায় জুসের কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন বিশ্বাস৷অভিযুক্ত আবদুল জব্বার(৭০)চট্টগ্রাম সাতকানিয়া পৌরসভার চমদরপাড়া এলাকার-আবদুল লতিফ’র ছেলে৷
ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,বাইরে থেকে কিছুই বোঝার উপায় নেই।দরজা বন্ধ করে বাড়ির ভেতরে কয়েকটি রুমের মধ্যে বসানো হয়েছে মেশিন।সেখানেই চলছে বিষাক্ত কেমিক্যাল ও বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করে জুস তৈরি। তবে সেই ফলের জুসে কোনো ধরনের ফলের উপস্থিতি নেই।শুধুমাত্র বিভিন্ন ধরনের ক্যামিকেল এবং রঙ ব্যবহার করেই তৈরি করা হচ্ছিল সেসব জুস।আদালত সূত্রে জানা যায়, কেমিক্যাল দিয়ে জুস বানিয়ে ফলের জুস হিসেবে বাজারজাত করছে সাতকানিয়া পৌরসভার চমদর পাড়া এলাকার একটি বাড়িতে গোপন কারখানায়।অভিযানকালে ওই বাড়িতে উপস্থিত হলে দেখা যায়, ভেতর থেকে বাড়ির দরজা আটকানো।দরজায় কড়া নাড়লেও খোলা হচ্ছে না।ছাদের উপরে একটি ছেলেকে তুলে দিয়ে বাড়ির সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে,দরজা খোলার পর ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখা গেলো কর্মচারী মালিকসহ সবাই পালিয়ে গেছে৷পরে কারখানার মালিকের বাবাকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়৷নোংরা পরিবেশে বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে জুস।জুসের বোতলে বিভিন্ন নামী দামী কোম্পানীর লেভেল লাগানো হয়।অভিযান পরিচালনাকারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট)মিল্টন বিশ্বাস জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।এসময় অবৈধ রং মিশিয়ে আমের জুস ও লিচুর জুস উৎপাদন করার অপরাধে নিরাপদ খাদ্য আইনের আওতায় আবদুল জব্বার(৭০)কে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।এছাড়া কারখানার সকল পণ্য জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়,এবং পরবর্তীতে আর অনিরাপদ খাদ্য উৎপাদন না করার বিষয়ে মুছলেখা নেওয়া হয়।সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি৷