মুরাদুল ইসলাম ( কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি>>> গত কয়েক দিন ধরে রৌমারী রাজীবপুর উপজেলায় অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন।অন্যদিকে চলতি মৌসুমে দুই উপজেলায় হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমির বোরো ধান নিয়ে শঙ্কায় পড়েছে কৃষক।এ বিষয়ে রাজীবপুর উপজেলার কৃষক আলম,আলমাজ,বলেন,বোরো ধান আমাদের প্রধান হাতিয়ার। বর্তমানে ধানের ছড়া বাহির হওয়ার সময় হয়েছে। এ মুহূর্তে সব সময় জমিতে পানি রাখতে হবে।পানি না থাকলে ধান চিটা হয়ে যাবে।গত কয়েক দিন ধরে বিদ্যুৎ আসে আর যায়।রাজীবপুর বাজার ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাজীবপুর বাজারে বিদ্যুৎ আসে আর যায়। এভাবে হলে আমরা কীভাবে ব্যবসা করি? দিন শেষে রাতে বাড়িতে গিয়ে এক ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকে না।গরমে ছোট ছোট ছেলে মেয়ে নিয়ে অনেক কষ্ট হয়।এ বিষয়ে রাজীবপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রতন মিয়া সাংবাদিককে বলেন, এ সময় বোরো ধানের জমিতে পানি না থাকলে ধান চিটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।এ বিষয় বিএডিসি সেচ সাথে যোগাযোগ করে বলা হয়েছে যাতে রাতের বেলায় লোডশেডিং একটু কম করে। পাশাপাশি জমিতে নিয়মিত ছত্রাক নাশক ঔষধ ব্যবহর করার জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।এ বিষয়ে রৌমারী পল্লী বিদ্যুৎ ডিজিএম এর সাথে একাধিক বার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি রিসিভ না হওয়ায় কোন তথ্য নেয়া সম্ভব হয়নি(০১৭৬৯৪০৭৩১০)।

