আব্দুল্লাহ আল মারুফ চট্টগ্রাম>>> বান্দরবান কেএনএফের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দিন দিন বেড়েই চলেছে যেন থামাতে পাচ্ছে না বাংলাদেশ প্রশাসন উক্ত জেলার রুমার সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার নেজাম উদ্দীনকে উদ্ধারের পর থানচি উপজেলা বাজারে কেএনএফ আক্রমণ চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।ওখানে বাংলাদেশ পুলিশ-বিজিবির সাথে কেএনএফ’র সাথে ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) রাত ৪ ঘটিকার সময় কেএনএফ এর ২০০ জন সশস্ত্র সদস্য থানচি বাজার ঘেরাও করে ফেলে এক পর্যায়ে তারা ভীষণ গুলিবর্ষণ করতে থাকে।এরপর পুলিশ পাল্টা গুলি বিনিময় করে জবাব দেয়।এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটলে সেখানে প্রচুর বিজিবি সদস্য অংশগ্রহণ করে।এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তানচি বাজারে থেমে থেমে গোলাগুলি চলছিল।বান্দরবান পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন ভোরের ডাক পত্রিকাকে জানান৷তারা কি কারণে হামলা চালিয়েছে তা এখনো বলা সম্ভব হচ্ছে না।তবে পুলিশ এবং বিজিবির পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ পাল্টা জবাব দেওয়া হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া পাইনি।বিগত বুধবার থানচি বাজারে কেএনএফ হামলা চালিয়ে সোনালী ও কৃষি ব্যাংকের প্রায় ১৮ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছিল।তার একদিনের ব্যবধানে দুটো হামলার ঘটনায় থানচিতে সাধারণ জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ঘটনার পরে থানচি বাজারের অধিকাংশ দোকান পাঠ বন্ধ হয়ে রয়েছে।বাজার এবং পার্শ্ববর্তী লোকজন নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।অপরদিকে,সন্ধ্যা ৭টার সময় রুমা উপজেলা বাজারের কাছ থেকে ব্যাথেলপাড়া থেকে উদ্ধার করা হয়েছে রুমা সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার নেজাম উদ্দীন কে।র্যাব-সেনাবাহিনী-গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে ম্যানেজারকে সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।তাকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে রুমা থেকে বান্দরবান জেলা শহরের র্যাব কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।এর আগে দুপুরে রুমা উপজেলার মুন্নামপাড়া গ্রামে সেনাবাহিনীর সাথে কুকিচিনের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে।কিন্তু সন্ধ্যার সময় উদ্ধার করা হয় অপহৃত ম্যানেজার নেজাম উদ্দীনকে।গত মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে কেএনএফের সশস্ত্র সদস্যরা রুমা সোনালী ব্যাংকে শক্তিশালী হামলা পরিচালনা করে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর ১৪টি অস্ত্র লুট করে নিয়ে গেছিল যাহা এখনো উদ্ধার করা হয়নি।বুধবার সন্ত্রাসীরা থানচি উপজেলা সোনালী ব্যাংক এবং কৃষি ব্যাংকে হানা দিয়ে ১৮ লাখ টাকা লুট করে পালিয়ে যাই।উক্ত ঘটনা কে কেন্দ্র করে বান্দরবান জেলার এ ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতার কারণে রুমা রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলার ব্যাংক বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।উক্ত উপজেলায় সকল ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে ৷স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,রাত আটটার সময় দুই শতাধিক পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফের) অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী থানচি বাজার ঘেরাও করে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ করতে থাকে।সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মধ্যে নারী কেএনএফের সংখ্যায় বেশি ছিল।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান কেএনএফের সশস্ত্র বাহিনী কি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছেয়ে শক্তিশালী,তারা বাংলাদেশের প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন সময় সশস্ত্র কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে৷এই অপরাধ নির্মূলের শেষ কোথায় জানতে চাই সাধারণ মানুষ ৷

