সাইফুল ইসলাম বাবু জৈন্তাপুর উপজেলা প্রতিনিধি>>> আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জৈন্তাপুর উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা।দিন যত ঘনিয়ে আসছে বিপনি বিতান গুলোতে চাপ তত বৃদ্ধি পাচ্ছে।শুক্রবার ( ৫ই এপ্রিল) পবিত্র জুমাতুল বিদার দিন দূপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখা মিলে কেনাকাটার ব্যাস্ততা।এ সময় জৈন্তাপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ফতেহ খাঁ রোড হয়ে বড়পুকুড়পাড় পর্যন্ত ক্রেতা সমাগম প্রচুর।অধিকাংশ ক্রেতা স্বপরিবারে বাড়ীর নারী শিশু সহ এসেছেন ঈদের কেনাকাটা করতে।এ সময় ফতেহ খাঁ রোডের এই অংশটিতে যানবাহন চলাচলে কিছুটা বিঘ্নিত হতে দেখা যায়।এ সময় উপজেলার আলম ম্যানশন, সিরাজ উদ্দিন মার্কেট, জৈন্তা প্লাজা,মদীনা মার্কেট,তমাল মার্কেট,এ কে টাওয়ার,শাহজাহান মেম্বার মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে আসা ক্রেতাদের সাথে ঈদের পন্যের দাম ও কোয়ালিটি নিয়ে কথা হয়।উপজেলার আসামপাড়া গ্রামের ব্যাবসায়ী আবদুল কাদির জানান,গত বছরের তুলনায় এবার কাপড়ের দাম অনেক বেশী।বিশেষকরে শিশুদের কাপড়ের দাম নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।তিনি জানান বছরের ব্যবধানের এভাবে কাপড়ের মূল্যবৃদ্ধি পেলে মধ্যবিত্তদের জন্য ঈদের আনন্দ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে।উপজেলার নারী ও শিশুদের পোষাকের অন্যতম বিক্রয়কেন্দ্র সিস্টার্স শপিং এ ঈদ কেনাকাটার জন্য গোয়াইনঘাট রাধানগর থেকে আসা কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী সানজিদা সুলতানা বলেন নারী ও শিশুদের পোষাকের মান সিস্টার্স শপিং এ অনেক উন্নত। এখান থেকে তিনি পরিবারের শিশু সহ সকলের জন্য ঈদের কেনাকাটা করেন।সিস্টার্স শপিং এর সত্ত্বাধিকারী ইসমাইল হোসেন বলেন, বর্তমানে জৈন্তাপুরের অনেক মানসম্মত বিপনি বিতান গড়ে উঠেছে।উন্নত পোশাকের জন্য সিলেট নগরীতে না গিয়ে জৈন্তাপুর সদরেই সব ধরণের কোয়ালিটিপূর্ণ পোশাক ক্রেতারা পাবেন।তিনি জানান প্রতিদিন সকাল ৯:০০ ঘটিকা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দোকানে বেঁচাকেনা চলে।ঈদের সময় যত ঘনিয়ে আসবে ক্রেতা সমাগম আরো বাড়বে বলে তিনি আশাবাদী।উপজেলার সর্বপ্রথম ব্রান্ডিং জেন্টস কাপড়ের শো রুম স্বপ্নমেলার সত্ত্বাধিকারী সারণ মাহমুদ বলেন, এ বছর ২০২৪ মডেলের পুরুষ ও শিশুদের প্রচুর কালেকশন রাখা হয়েছে।গেলবারের তুলনায় এবার কাপড়ের মূল্য কিছু বেশী জানিয়ে সারণ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশী বিভিন্ন গার্মেন্টসের পাশাপাশি ইন্ডিয়ান,চাইনিজ ও থাইল্যান্ডের অত্যাধুনিক পোষাক খরিদ করতে পারবেন ক্রেতারা।এদিকে জৈন্তাপুর উপজেলা স্টেশন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন,ঈদের সময় ক্রেতাদের পদচারণায় ব্যাস্ততম হয়ে উঠেছে উপজেলা সদর।তিনি জানান ক্রেতাদের স্বার্থ ও সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্রত্যেক বিক্রেতাদের দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।তাছাড়া চাঁদরাত পর্যন্ত মার্কেট বিপনি বিতানের ব্যবস্হাপনা স্বাভাবিক রাখতে সমিতি মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

