মিজানুর রহমান বিশেষ প্রতিনিধি ফরিদপুর>>>ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা মামলাবাজ কাজী মৌলবি মনিরুল ইসলাম হেমায়েত এর রোষানলের শিকার একজন সাংবাদিক ও শিক্ষক।সাংবাদিক ও শিক্ষক সম্পর্কে আপন ভাই। উপজেলার লস্কারদিয়া ইউনিয়ন নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী মৌলবি মনিরুল ইসলাম হেমায়েত নিজে বাদী হয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও প্রশাসনিক দপ্তরে অভিযোগ করেন। এছাড়া বিভিন্ন জনদের বাদী বানিয়ে মামলা করেছেন বলে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিজান ও মাদ্রাসা শিক্ষক মোঃ আবুল হাসান মিয়া বলেন।শিক্ষক মোঃ আবুল হাসান মিয়া আরও বলেন লস্কারদিয়া ইউনিয়ন নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী মৌলবি মনিরুল ইসলাম হেমায়েত আমার প্রতিবেশী একসময় সে আমার সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলে এবং আমার নিকট থেকে টাকা ধার নেয় এবং টাকার সমপরিমাণ লিপিবদ্ধ একটি চেক প্রদান করেন। সময় মতোন টাকা ফেরত না দিলে টাকা চাই তবুও না দেওয়ায় কাজী মৌলবি মনিরুল ইসলাম হেমায়েত এর নামে আদালতে বাদী হয়ে একটি মামলা করি।মামলায় আদালত আমার পক্ষে রায় দেয় এবং আদালতে অর্ধেক টাকা জমা দিয়ে সময় নেয়।বাকি টাকা সময়ের মধ্যে দিবে বলে এই সুযোগে তার আপন মামাতো বোন উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের আনোয়ার মুন্সির মেয়ে শাহারা ওরফে স্বপ্নাকে বাদী করে ভুয়া কাবিননামা বানিয়ে আমার বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে একটা মামলা করান এবং বাদীর বাড়ি ঘরে হামলা হুমকি দেওয়ায় আমি মোঃ আবুল হাসান ও আমার ভাই সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিজান ও এক প্রতিবেশী সম্পর্কে ফুপার নামে ৭ ধারা মামলা করেন।এছাড়া বিভিন্ন জনের মামলায় আমাকে আসামী করে ।মিথ্যা মামলা ও মনগড়া অভিযোগ করে হয়রানি করছেন কাজী মৌলবি মনিরুল ইসলাম হেমায়েত।স্হানীয় লোকজন জানান কাজী মৌলবি মনিরুল ইসলাম হেমায়েত একজন মামলাবাজ সে নিজে একাধিক মামলার আসামী মাঝে মধ্যেই কারাগারে জান এবং এলাকার বিভিন্ন মানুষের নামে মিথ্যা মামলা করে তাদের হয়রানি করেন।এলাকাবাসী অনেকেই বলেন কাজী মৌলবি মনিরুল ইসলাম হেমায়েত লস্কারদিয়া ইউনিয়ন নিকাহ রেজিস্ট্রার হলেও তিনি থাকেন ফরিদপুর জেলা সদরে। আদালত চত্ত্বরে বসে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা যুবক যুবতীদের বিয়ে পড়ান।অপরদিকে এলাকার কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা মাতা সময় মতন ফোন করে পাচ্ছেন না এই কাজী মৌলবীকে।বিয়ে করেছেন ৪/৫ টি।এছাড়া ইউনিয়নে তার ভাই সহ বিভিন্ন লোক দিয়ে বিয়ে পড়ানোর কাজ করাচ্ছেন।যে কারনে কাবিনের নকল প্রধান ক্ষেত্রে হয়রানি,প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। অভিযোগ পাওয়া গেছে যে টাকার বিনিময়ে কাজী মৌলবির কাজের দায়িত্ব পালন করতে বর্তমান যাদের দিয়ে বিয়ে পড়ানোর কাজ করাচ্ছেন।জুঙ্গুরদী গ্রামের আব্দুস সোবহান মোল্লা, শহীদ মোল্লা, মাসুদ মাতুব্বর, আছাদ মাতুব্বর, ফরিদ শেখ,সামাদ কাজী সহ অনেকেই বলেন কাজী মৌলবি মনিরুল ইসলাম হেমায়েতের কাছে এলাকার অনেকে টাকাপয়সা পায় এলাকায় তাকে বেশি দেখা যায়না। বিয়ে ৪/৫ টি করেছে। নিজে অনেক মামলার আসামী এবং যারা তার কাছে পাওনাদার তাদের নামে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।এর ভুক্তভোগী জুঙ্গুরদী গ্রামের আব্দুস সোবহান মোল্লা, হিলাল মোল্লা, শিক্ষক আবুল হাসান মিয়া ও সাংবাদিক মিজানুর রহমান।লস্কারদিয়া ইউনিয়ন নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী মৌলবি মনিরুল ইসলাম হেমায়েত কে এলাকায় না পাওয়ায় ও ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।ভুক্তভোগীদের হয়রানী থেকে বাচতে নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী মৌলবি মনিরুল ইসলাম হেমায়েত কে আইনের শেকাল বন্দী করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী

