আব্দুল্লাহ আল মারুফ নিজস্ব প্রতিবেদক >>> দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অপেক্ষা করে চট্টগ্রাম র্যাব ৭ প্রতিনিয়ত দূরদর্শী সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন,তারাই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার হত্যা ও ডাকাতি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ডাকাত সরদার মোঃ সুমন (৪২) দীর্ঘ দিন পালিয়ে থেকেও রক্ষা পেলেননা। অবশেষে হাটহাজারী থেকে র্যাব-৭ চট্টগ্রাম গ্রেফতার করে তাকে নোয়াখালীর চাটখিল থানায় পাটিয়েছে।
নুরুল আবছার সিনিয়র সহকারী পরিচালক চট্টগ্রাম র্যাব ৭ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামি সুমন লক্ষীপুর জেলার একজন কুখ্যাত ডাকাত সর্দার। গত ২০১০ সাল থেকে সে ডাকাতি কার্যক্রম শুরু করে এবং ২০১৪ সালে তার নেতৃত্বে দুইটি হত্যাকান্ডের ঘটনা সংগঠিত হয়। পরবর্তীতে ডাকাতি, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ডে জড়িত হয়ে পরে। এ সকল অপরাধের প্রেক্ষিতে লক্ষ্মীপুর জেলার সদর থানায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ০৭টি মামলা রুজু হয়। র্যাব-৭, চট্টগ্রাম বিশেষ সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, লক্ষ্মীপুর জেলার সদর থানার মামলা নং-৯৩, তাং ২৩ এপ্রিল ২০১৪; জিআর নং- ৪০৫/১৪ (চন্দ্রগঞ্জ), বিভিন্ন ধারা- সহ ০৭ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মোঃ সুমন প্রশাসনের গ্রেফতার এড়াতে নিজ জেলা নোয়াখালী ছেড়ে দীর্ঘদিন যাবৎ চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন রৌফাবাদ এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৪ইং তারিখ আনুমানিক রাত১০ ঘটিকায় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামি মোঃ সুমন (৪২), পিতা-মৃত আবুল হোসেন, কে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে, উল্লেখিত মামলাসহ সর্বমোট ০৭ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মর্মে স্বীকার করে। জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, সে আইন শৃংখলা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে অবস্থান করে আসছিল।সিডিএমএস পর্যালোচনার তথ্য মতে ৷ গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ সুমনের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুর জেলার সদর থানা ও নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানায় সংঘবদ্ধ ডাকাতি, নাশকতা ও হত্যা মামলাসহ সর্বমোট ০৭টি মামলার তথ্য পাওয়া যায়।