নজরুল ইসলাম চন্দনাইশ প্রতিনিধি >>> সাতকানিয়ার কালিয়াইশ ইউনিয়নের সাঙ্গু কিন্ডার ৫ শ্রেনীর ছাত্র আসিফ আলী(৯) সাঙ্গু নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৩৬ ঘন্টা পার হওয়ার পরও এখনো কোন সন্ধান মিলেনি। ফায়ার ব্রিগেডের ডুবুরীরা অনুসন্ধান করেও এখনো পর্যন্ত জীবিত বা মৃত শিশু আসিফকে উদ্ধার করতে পারেনি। ডুবুরীরা ১৯ অক্টোবর আবারো অভিযানে নামবে জানিয়ে আজকের মত অভিযান স্থগিত করেছে। আসিফ আলীর বাবা শাহেদ আলী দীর্ঘ ৭ বছর ধরে সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নে বাসা ভাড়ায় থেকে বিওসির মোড় দোহাজারী,,, বাবা দোহাজারী -কালিয়াইশ বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারী। তাদের বাড়ি সৈয়দপুর জেলায় বলে জানা গেছে। শাহেদ আলীর- ৩ সন্তানের মধ্যে সাঙ্গু নদীতে নিখোঁজ আসিফ(৯) ১ ম সন্তান।
১৮ অক্টোবর’২৩ ইং বুধবার দুপুর ১২.০০ টার সময় শিশু আসিফ আলী সহ তার কয়েক জন বন্ধুরা মিলে একসাথে উপজেলার উনিয়নের সাঙ্গু নদীর চরে রেললাইনের ব্রীজের নীচে ফুলবল খেলতে যায়। খেলা শেষে সাঙ্গু নদীর পানিতে সবাই গোসল করতে নামে। সবাই হৈ-হুল্লোড় করে গোসল করার সময় আসিফ আলী পানিতে ডুব দিয়ে পানি থেকে আর ভেসে উঠেনি। তার সহপাঠি বন্ধুরা আসিফকে দেখতে না পেয়ে অনেক খুঁজাখুঁজির পর বাড়িতে আসিফের বাবাকে খবর দিলে পরিবারের সবাই কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে দ্রুত সাঙ্গু নদীতে খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হয়ে সাতকানিয়া ফায়ারসার্ভিসকে খবর দিলে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে অনুসন্ধান শুরু করে। অনেক খোজাখুজি করে আসিফ আলীকে নদীতে খুঁজে না পাওয়ায় ফায়ারসার্ভিস টীম তাদের ডুুবুরী দলকে কল করে অনুসন্ধান চালায়। ১ ঘন্টারও বেশী সময় ধরে ডুবুরী দল পানিতে অনুসন্ধানের পর আসিফকে খুঁজে না পাওয়ায় বিকাল ৪ টার সময় উদ্ধার অভিযান স্থগিত ঘোষনা করে আগামীকাল ১৯ অক্টোবর বৃহঃস্পতিবার সকাল ৬ টার সময় আবারও আসিফ আলীকে সাঙ্গু নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিসের টীম লীডার
ফায়ার সার্ভিসের টীম লিডার আরো জানায়,(তার বক্তব্য)
এদিকে সাঙ্গু নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ আসিফের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পুত্রশোকে পাগলপ্রায় তার মা।বাবা শাহেদ আলী হাউমাউ করে কান্নাকাটি করতে করতে সাঙ্গুর চরে খুঁজে বেড়াচ্ছে কলিজার ধন পুত্রকে। আসিফের মা-বাবার আহাজারীতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো জনপদে।