সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনাবাজার ইউনিয়নের দূর্লভপুর বাজারের সামনে সুরমা নদীতে সমিতির নামে বিএনপি নেতা নুরুল হক আফিন্দী ও তার আশীর্বাদপুষ্ঠ আওয়ামীলীগ সমর্থক মকবুল হোসেন আফিন্দী এই দুই চাচা-ভাতিজার অবৈধভাবে টোল আদায় ও সরকারী রাজস্ব প্রাপ্তিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার বিকেলে ভূক্তভোগী ইজারাদার ও এলাকাবাসী আয়োজনে দুর্লভপুর খোয়াঘাট সংলগ্ন সুরমা নদীর পাড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।ব্যবসায়ী ওয়াহিদ আলীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিআইডব্লিউটি এর ইজারাদার মোঃ ইয়াকবীর আফিন্দী,সাচনাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন কাচা মিয়া, সাচনাবাজার ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি শাহনূর মিয়া, দূর্লভপুর নিবাসী ব্যবসায়ী আফতাব উদ্দিন,ছোট ঘাগটিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন,ফতেপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মোঃ তহুর মিয়া ও মোঃ শিব্বির আহমদসহ স্থানীয় বালি পাথর ব্যবসায়ী শ্রমিকগণসহ স্থানীয় বালি পাথর ব্যবসায়ী শ্রমিকগণ।মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, এক কাটি ৫ হাজার টাকায় বিআইডবিøউটি এর কাছ থেকে দূর্লভপুর ঘাটটি একবছরের জন্য ইজারা নিয়েছেন মোঃ ইয়াকবীর আফিন্দী । কিন্তু বালি পাথর সমিতির নামে বিএনপি নেতা নরুল হক আফিন্দী ও তার ভাতিজা মকবুল হোসেন আফিন্দী পেশীশক্তির জোরে প্রতি নৌকা হতে লোড-আনলোড বাবত দুইশত টাকা হারে চাদাঁ উত্তোলন এবং নৌকা প্রতি দুই হাজার টাকা করে সমিতিকে টোল টেস্ক দেয়ার জন্য ব্যবসায়ীদেরকে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ইজারাদারদের।বিএনপি নেতার মৌখিক নির্দেশ না মানায় গত ২১ সেপ্টেম্বর ও পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর যথাক্রমে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দূর্লভপুর বালি পাথর মহাল এলাকায় সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রেখে সমিতির নামে শ্রমিকদের পেটে লাথি মারেন বিএনপি নেতা নুরুল হক ও মকবুল হোসেন আফিন্দী। মানববন্ধনে সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও সুনির্দিষ্ট টোল আদায়ের অভিযোগে চাচা নুরুল হক আফিন্দী ও ভাতিজা মকবুল হোসেন আফিন্দীকে গ্রেফতারের জন্য সরকার ও প্রশাসনের নিকট দাবী জানানো হয়।