আব্দুল্লাহ আল মারুফ নিজস্ব প্রতিবেদক>>> মোহাম্মদ খেরশেদ আলম(৪৫), যিনি প্রকৃতপক্ষে কোন নিবন্ধিত/ রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত ডাক্তার নন, শুধুমাত্র এইসএসসি পাস করেছেন। অথচ এমবিবিএস (ডিএমসি), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি(নিউরোলজি), ফেলো ইটারনেশনাল নিউরেলজি, ডিগ্রীসমূহ উল্লেখ করে হতে চিকিৎসা সেবার নামে ২০০৭ সাল থেকে প্রতারণা করে আসছেন। অদ ২১/০৯/২৩ তারিখে পারেড কর্ণারে একটি আবাসিক ভবনে অন-কলে চিকিৎসা প্রদানের জন্য আসেন। তার প্রেসক্রিপশনে সন্দেহ হলে ভবনের বাসিন্দা উনার পরিচিত এক চিকিৎসক কে অবহিত করেন। উক্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ওনাকে ভুয়াচিকিৎসক হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং বিভাগীয় পলিচালক(স্বাস্থ্য) কে জানালে তিনি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে ডাক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর লিখিত অভিযোগ পেশ করেন। লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ অনুযায়ী কোন মেডিকেল ডিগ্রি ছাড়া এবং রেজিস্ট্রেশন ছাড়া চিকিৎসা প্রদানের অপরাধে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ২ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় পলিচালক(স্বাস্থ্য) জনাব ডা: মোঃ মহিউদ্দিন, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার জনাব ডা: মোহাম্মদ নওশাদ খান এবং একজন নিউরোলজি বিশেষজ্ঞ যিনি বিভাগীয় পলিচালক(স্বাস্থ্য) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।