জামাল হোসেন পাবনা জেলা প্রতিনিধি
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সন্ত্রাসী কায়দায় গোলাম মোস্তফা নামের এক কলেজ শিক্ষককে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে কায়েম ও সোহান নামের দুইজন।আহত কলেজ শিক্ষক খানমরিচ ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা ও আলহাজ সিরাজ মন্ডলের ছেলে । তিনি খানমরিচ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের বাংলা বিষয়ের সহযোগি অধ্যাপক।অভিযুক্ত কায়েম ও সোহান নামের দুইজন একই এলাকার বাসিন্দা ও আলী আজগরের ছেলে। শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে খানমরিচ ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।জানা গেছে, উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা ও কলেজ শিক্ষক গোলাম মোস্তফা ১৫/১৬ বছর পূর্বে তার বসত বাড়ির পাশে পিতার জমিতে কিছু গাছ রোপন করেন। গাছ গুলি বড় হলে সম্প্রতি তিনি ও তার ভাই মোশারফ বিএসসি মিলে সাংসারিক প্রয়োজনে গাছ গুলি বিক্রয় করেন।কলেজ শিক্ষকের জমির পাশের জমি আঙ্গুর প্রফেসর ও শাহ আলম বিএসসির। কিন্তু তাদের জমি লিজ সূত্রে ভোগদখল করেন অভিযুক্ত কায়েম ও সোহান নামের দুই ভাই।কলেজ শিক্ষক গোলাম মোস্তফার দাবী, শুক্রবার সকালের দিকে তার বিক্রয়কৃত গাছ কাটতে আসলে অভিযুক্ত কায়েম ও সোহান সন্ত্রাসী কায়দায় হাতে লাঠিসোঠা নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে গাছ কাটতে বাধা দেন এবং মারমুখী আচরণ করতে থাকে।এ সময় কলেজ শিক্ষক গোলাম মোস্তফা তাদের ওই উশৃঙ্খল আচরণের ভিডিও ধারণ করতে গেলে কায়েম ও সোহান মিলে তাকে বেধড়ক পিঠিয়ে আহত করেন। এ সময় তার বৃদ্ধ পিতা আলহাজ সিরাজ মন্ডল এগিয়ে গেলে তাকেও ধাক্কা মেরে ফেলে দেন অভিযুক্তরা । পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় কলেজ শিক্ষক ও তার বৃদ্ধ পিতাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।ঘটনার বিষয়ে খানমরিচ টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোফাজ্জল হোসেন বলেন, কলেজ শিক্ষক গোলাম মোস্তফা একজন ভদ্র, বিনয়ী ও নম্র স্বভাবের মানুষ। তার সাথে এমন ধরণের কাজ করা মোটেও ঠিক হয়নি। এর সঠিক তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার দাবীও করেন তিনি।এ ঘটনার বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ওসি আলহাজ মো. রাশিদুল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ঠ ঘটনায় উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে