রিপোর্টঃইতালি থেকে রিয়াজুল ইসলাম কাওছার।স্টাফ রিপোর্টার ইতালি>>>গতকাল ৮ আগস্ট রোজ মঙ্গলবার
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা-এঁর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী ও বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল-এঁর ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, মিলান ইতালির কনস্যুলেট সভা কক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহ্ফিল আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে উত্তর ইতালিতে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল-এঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কনসাল জেনারেল এম জে এইচ জাবেদের নেতৃত্বে কনস্যুলেটে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারিসহ উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ তারিখে শাহাদাত বরণকারী বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের প্রতি শোক জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।সমাপনী বক্তব্যে কনসাল জেনারেল এম জে এইচ জাবেদ বলেন যে, বাংলাদেশের সুদীর্ঘ মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে মহীয়সী নারী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অনন্য অবদান রয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছার অনন্য অবদান চির উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। কনসাল জেনারেল আগামী প্রজন্মের সামনে বঙ্গমাতার জীবনী বিশদভাবে উপস্থাপন করার বিশেষ প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
বক্তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক ধ্যান-ধারণা ও জীবনাদর্শে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা-এঁর বিশেষ অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে তুলে ধরেন।শেষে ইতিহাসের মহীয়সী নারী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ও বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালসহ তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং প্রবাসী বাংলাদেশীসহ দেশবাসীয় জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাাদ করা হয়।