৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
সনাতনী ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দিতে আহ্বান বিএনপি প্রার্থীর পেশাজীবীদের সঙ্গে চাটখিলে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীর মতবিনিময় চাটখিলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সাতকানিয়াবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করবো নাজমুল মোস্তফা আমিন সাতকানিয়ায় হিন্দু পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অপচেষ্টা সাতকানিয়ায় কৃষি জমির মাটি কাটার বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান, এসকেভেটর অকেজো চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি বৈধ, হাইকোর্টের রায় নৌবাহিনীর স্কুলের বাসের ধাক্কায় গুরুত্বর আহত এক  ব্যবসায়ী সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের একটাই পরিচয় হবে আমরা বাংলাদেশি। বোয়ালখালীতে গভীর রাতে প্রবাসীর ঘরে দুর্বৃত্তদের তাণ্ডব, আহত দুই
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য >> চাকরি >> জাতীয় >> ঢাকা >> ঢাকা >> দেশজুড়ে
  • নতুন বাংলাদেশের সূচনা হলো আজ: প্রধান উপদেষ্টা
  • নতুন বাংলাদেশের সূচনা হলো আজ: প্রধান উপদেষ্টা

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তী প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মন্তব্য করেছেন, “জুলাই সনদে স্বাক্ষরের মাধ্যমে এক নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “আমরা আগে বর্বরতার সমাজে ছিলাম। এখন আমরা সভ্যযুগে প্রবেশ করেছি। আমাদের ভবিষ্যত অত্যন্ত উজ্জ্বল, শুধু সমাজকে সঠিকভাবে গঠন করতে হবে।” ড. ইউনূস আরও উল্লেখ করেন, আজকের দিনটি কেবল দেশের জন্যই নয়, পুরো বিশ্বের জন্য একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে। “এই দিনটি ইতিহাসের পাঠ্যপুস্তকে থাকবে, এবং বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পর্যায়ে এ নিয়ে আলোচনা হবে,” তিনি বলেন।

    অন্তর্বর্তী প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ঐকমত্য কমিশন গঠনের পর রাজনৈতিক দলের মধ্যে একমত করার জন্য আশা থাকলেও প্রাথমিকভাবে কাজটি সহজ মনে হয়নি। তবে প্রফেসর আলী রীয়াজের নেতৃত্বে রাজনৈতিক দলগুলো “চমৎকার ও গভীর আলোচনায়” বসেছে। তিনি বলেন, “এত সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনার সাক্ষী হওয়া দেশের জন্য গর্বের বিষয়।”

    নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করতে ঐক্যের সুর বজায় রাখতে হবে। তিনি রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “যত সুন্দরভাবে সম্ভব, নির্বাচন আয়োজন করুন।”

    ড. ইউনূস গণঅভ্যুত্থানের নায়কদের স্মরণ করেন এবং জাতির পক্ষ থেকে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “জীবন দিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাদের অবদান কখনও ভুলব না।”

    তিনি তরুণদের সম্ভাবনা ও বঙ্গোপসাগরের অর্থনৈতিক ব্যবহারের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। ড. ইউনূস বলেন, “গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করলে দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। কক্সবাজার, মাতারবাড়ি ও মহেশখালীর সমন্বিত উন্নয়ন বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে।” এছাড়া তিনি অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সমুদ্রপথে আত্মিক ও বাণিজ্যিক সংযোগের সম্ভাবনাও উল্লেখ করেন।

    ড. ইউনূসের এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, রাজনৈতিক ঐক্য, তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা মিলিয়ে নতুন বাংলাদেশের রূপকার হওয়া সম্ভব।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page