২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
সখিপুরে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বীজ,সার,কীটনাশক,গাছের চারা ও চাউল বিতরণ- চাটখিলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: পরিবারের অভিযোগ হত্যা ১৪ বছর পর চাটখিল দলিল লেখক সমিতির নির্বাচন: ওমর ফারুক সভাপতি ও স্বপন পাটওয়ারী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত পটিয়ায় শোকাহত জায়হান পরিবারকে সান্তনা দিতে এমপি এনাম। সিভিল সার্জনের আদেশ উপেক্ষা: সাতকানিয়ায় দায়িত্ব হস্তান্তরে গড়িমসি পটুয়াখালীতে ডিবির সফল অভিযান: ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার। গাইবান্ধায় রামচন্দ্রের অবমাননাসহ বিভিন্ন জায়গায় সনাতনীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন। আনোয়ারায় মা-মেয়ে খুনের রহস্য উদ্ঘাটন: পুরস্কৃত হলেন এসআই শিমুল পটুয়াখালী গিয়ে কান্নায় ভেঙে পরেছিলেন শাকিরা সাতকানিয়ায় স্কুলছাত্রী অপহরণ-ধর্ষণ ১০ দিন পর উদ্ধার ধর্ষক গ্রেফতার
আন্তর্জাতিক:
হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান
     
             

ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৭ মৃত্যু চলতি বছর প্রাণ গেল ১৫০ জনের

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে একদিনে মৃত্যুর এই সংখ্যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ। এর আগে গত ১৮ ও ২২ সেপ্টেম্বর একদিনে সর্বোচ্চ ৬ জন করে মারা গিয়েছিল ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত সাতজনকে নিয়ে এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ১৫০ জনের মৃত্যু হল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল শনিবার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৮৬০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এতে এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৫৬৫ জনে। এখন পর্যন্ত মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১০৫ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়। এরমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৮২ জন, উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে ২০ জন এবং ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।

ঢাকার বাইরে বরিশালে ১৫ জন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২০ জন, খুলনা বিভাগে ৫ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছর সিলেট বিভাগের কোনো হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।

গতকাল শনিবার নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ৩৮৭ জন, ঢাকা বিভাগে ৯৮ জন, ময়মনসিংহে ৩২ জন, চট্টগ্রামে ১৬৪ জন, খুলনায় ৫৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ২ জন, রংপুর বিভাগে ১৭ জন, বরিশালে ১০১ জন এবং সিলেট বিভাগে ৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ৩১৭৪ জন রোগী। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ১৬৩৩ জন রোগী। ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৫৪১ জন। এ বছর ভর্তি রোগীদের মধ্যে ১৫ হাজার ৯৫৯ জন ঢাকার বাইরের রোগী। ঢাকার দুই মহানগর এলাকার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১২ হাজার ৬০৬ জন।

চলতি সেপ্টেম্বর মাসে বছরের আগের যে কোনো মাসের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে। এ সময় মৃত্যুও হয়েছে বেশি। ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ১৫ হাজার ৭২৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, মৃত্যু হয়েছে ৬৭ জনের।

মাসওয়ারি হিসেবে এর আগে জানুয়ারিতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ হাজার ৫৫ জন, যাদের মধ্যে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে হাসপাতালে ভর্তি হয় ৩৩৯ জন, যাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। মার্চ মাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩১১ জন; যাদের মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরের মাসগুলোর মধ্যে এপ্রিল মাসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫০৪ জন, যাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে দুইজনের। মে মাসে ৬৪৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। জুন মাসে ৭৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। জুলাই মাসে ২৬৬৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়, তাদের মধ্যে ১২ জনের মৃত্যু হয়। আগস্টে ৬৫২১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল, যাদের মধ্যে ২৭ জনের মৃত্যু হয়।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page