২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
“একবার সুযোগ দিন, উন্নয়ন করে দেখাবো” — নেছারাবাদে সোহেল মনজুর সুমন তানোরের মুন্ডুমালা বাজার থেকে গ্রামগঞ্জে ধানের শীষের গণসংযোগ রাজশাহী-১ আসনে বিএনপি-জামায়াতের হেভিওয়েট লড়াই, এগিয়ে শরীফ উদ্দিন রাজশাহীর খড়খড়িতে মর্মান্তিক ঘটনা: মাকে হত্যার পর রাস্তায় ফেলে পালাতে গিয়ে ছেলেসহ আটক ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইলেন সাবেক চেয়ারম্যান মোমিনুল হক (মোমিন) ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে দাঁড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে -জাফর সাদেক চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত প্রার্থীর মত বিনিময় সাম্য ও মানবিক লোহাগাড়া গড়তে ধানের শীষে ভোট দিন বাগমারায় কলাবাগান থেকে জ/বাই করা লা/শ উদ্ধার ৩০০নং আসনে সাচিং প্রু জেরীর পক্ষে ১নং ওয়ার্ড পৌর বিএনপির উদ্যোগে বালাঘাটায় ধানের শীষের প্রচারণা
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য >> রাজশাহী
  • ক্ষমতার অপব্যবহার ৩ সাংবাদিক আটক, ভুল বোঝাবুঝি বলে মুক্তি দিলেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ
  • ক্ষমতার অপব্যবহার ৩ সাংবাদিক আটক, ভুল বোঝাবুঝি বলে মুক্তি দিলেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজশাহী>>> রাজশাহী আদালত চত্বরে অভিযান পরিচালনা করেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (আরএমপি ডিবি)।অভিযানে হাজিরা দিতে আসা জামাতনেতা কয়েকজনকে গ্রেফতার করেন ডিবি পুলিশের ওই অভিযানকারী দল।সে সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা গ্রেফতারকৃত ছবি তুলতে গেলে তাঁদেরকেও লাঞ্চিত করে আটক করেন ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয।ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে জামাতনেতাদের সাথে জামাত কর্মী বলে চালান দেওয়া পায়তারা করে ডিবি।আটক সাংবাদিকরা হলেন, রাজশাহীর বহুল প্রচলিত দৈনিক সানশাইন পত্রিকার কোর্ট প্রতিনিধি ও রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সদস্য রহমতুল্লাহ, দৈনিক উপচার পত্রিকা স্টাফ রিপোর্টার ও জাতীয় দৈনিক বর্তমান পত্রিকা এবং রাজশাহী অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের অন্যতম সদস্য আজগর আলী সাগর,দোয়েল টিভি’র সুমন।এডিসি রুহুল আমিনের নেতৃত্বে আদালত চত্বরে ডিবি পুলিশের অভিযান পরিচালিত হয়।ছবি তোলার অভিযোগে এডিসি রুহুল আমিনের নির্দেশে সাংবাদিকদের আটক করা হয়।২২ এপ্রিল (সোমবার) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে উক্ত ঘটনা ঘটে।পরে অন্যান্য সাংবাদিকরা বিষয়টি জানতে পারলে তাঁরা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ের সামনে(লক্ষীপুর) অবস্থান নেয়।সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা সে সময় কথা বলতে চাইলে এডিসি রুহুল আমিন তাঁদের সঙ্গেও খারাপ আচারণ করেন। বিষয়টি জানাতে গোয়েন্দা পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার আরিফুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।বাধ্য হয়ে সকল সাংবাদিক ডিবি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি দিয়ে রাস্তায় বসে পড়েন।প্রায় ১ ঘন্টা পরে এডিসি রুহুল আমিন সাংবাদিকদের সামনে এসে ভুলবোঝাবুঝি বলে ওই আটক তিন সাংবাদিককে ছেড়ে দেন। তিনি এ ঘটনায় দু:খ প্রকাশ করেন।আটক সাংবাদিকরা বের হয়ে বলেন,তাঁরা পেশাগত কাজ করতে গিয়ে ডিবি পুলিশের রোষানলে পড়েন।তারা বলেন সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া পরে তারা এমন আচার-আচরণ করে।তাহলে সাধারণ মানুষের কি অবস্থা গ্রেপ্তার বাণিজ্যে বুঝতে পারচ্ছি।ছবি তোলায় তাদের অপরাধ বলে তাদের গালাগালি ও মারধার করে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়।পেশাগত কাজে বাধা প্রদানসহ ওই পুলিশ কর্মকর্তার শাস্তি দাবি করেন তারা।এডিসি রুহুল আমিন বলেন,সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় তাদের আটক করা হয়েছে।ছবি তোলা মানেই সরকারি কাজে বাধা প্রদান।এসময় তিনি সাংবাদিকরা আইডি কার্ড দেখাতে পারেননি বলে অভিযোগ তুলেন।প্রকৃত পক্ষে আটক সকল সাংবাদিকদের কাছে কার্ড ছিলো।তবুও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি তাঁদের গ্রেফতার করেছেন বলে অভিমত সাংবাদিক সমাজের।ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবস্থান কর্মসূচিস্থলে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা,রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাব,পদ্মা প্রেসক্লাব,রাজশাহী অনলাইন সাংবাদিক ফোরাম সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।এসময় সাংবাদিক নেতারা বলেন,এডিসি রুহুল সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।এক মাঘেও শীত যায় না বলেও তিনি হুশিয়ারি দেন।তবে সাংবাদিক নেতার বলেন তাঁর বিরুদ্ধে সাংবাদিক সাংগঠনিক গুলো আলোচনা করে উর্ধতন কর্মকর্তাদের লিখিত অভিযোগ প্রদান করবেন বলেন।এছাড়াও গোয়েন্দা বিভাগের অপকর্ম আমরা এখন থেকে তুলে ধরবো।তাঁরা কোথায় থেকে মাসোহারা নেয় সেটা আমাদের সকলের জানা বলে উল্লেখ্য করেন নেতারা।উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই আটক বানিজ্যের শীর্ষে আছেন রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।আটকের পর কেউ ডিবি অফিসে প্রবেশ করতে পারে না।গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের প্রবেশ নিষেধ ডিবি কার্যালয়ে।আরএমপিতে দীর্ঘদিন যাবৎ কর্মরত ও সমালচিত কিছু এসআই,পরিদর্শক মিলে মাসোহারা বানিজ্যে লিপ্ত তাঁরা।প্রতিটি মাদক স্পর্ট,দেহ ব্যবসার আবাসিক হোটেল, জুয়ার আসর থেকে মাসোহারা উত্তোলন করছেন কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page