২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
“একবার সুযোগ দিন, উন্নয়ন করে দেখাবো” — নেছারাবাদে সোহেল মনজুর সুমন তানোরের মুন্ডুমালা বাজার থেকে গ্রামগঞ্জে ধানের শীষের গণসংযোগ রাজশাহী-১ আসনে বিএনপি-জামায়াতের হেভিওয়েট লড়াই, এগিয়ে শরীফ উদ্দিন রাজশাহীর খড়খড়িতে মর্মান্তিক ঘটনা: মাকে হত্যার পর রাস্তায় ফেলে পালাতে গিয়ে ছেলেসহ আটক ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইলেন সাবেক চেয়ারম্যান মোমিনুল হক (মোমিন) ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে দাঁড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে -জাফর সাদেক চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত প্রার্থীর মত বিনিময় সাম্য ও মানবিক লোহাগাড়া গড়তে ধানের শীষে ভোট দিন বাগমারায় কলাবাগান থেকে জ/বাই করা লা/শ উদ্ধার ৩০০নং আসনে সাচিং প্রু জেরীর পক্ষে ১নং ওয়ার্ড পৌর বিএনপির উদ্যোগে বালাঘাটায় ধানের শীষের প্রচারণা
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য >> রাজশাহী
  • রাজশাহী দূর্গাপুরে কিশোর- কিশোরী ক্লাবের টাকা আত্মসাৎ
  • রাজশাহী দূর্গাপুরে কিশোর- কিশোরী ক্লাবের টাকা আত্মসাৎ

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজশাহী>>> রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলায় কর্মরত অবস্থায় কিশোর কিশোরী ক্লাবের বরাদ্দকৃত নাস্তার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা খাতুনের বিরুদ্ধে।স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,দূর্গাপুর উপজেলায় সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ৮ টি কিশোর কিশোরী ক্লাব রয়েছে । প্রত্যেকটি ক্লাবে ৩০ জন করে কিশোর কিশোরীরকে প্রতি শুক্র ও শনিবার নাচ,গান,নিত্য,কেরাত ইত্যাদি শেখানো হয়। আর সেই সাথে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে মাথাপিছু ৩০ টাকার নাস্তা বরাদ্দ দেওয়া হয়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিশোর কিশোরী ক্লাবের একাধিক শিক্ষক জানান,ক্লাসে পাঁচ থেকে সাতজন কিশোর কিশোরী উপস্থিত থাকে।কোনদিন আবার সর্বোচ্চ ১০থেকে ১৫ জন।এই বিষয়ে শিক্ষকরা আরো জানান,সপ্তাহে মাত্র একদিন নাস্তা দেওয়া হয়। মাঝে মাঝে দেওয়া হয় না।আমরা জানতে চাইলে বলেন বরাদ্দ আসে নাই বরাদ্দ আসলে আবার দেওয়া হবে।এভাবেই চলতে থাকে কিশোর কিশোরী ক্লাব ।আর গত সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার কোন নাস্তা পরিবেশন করা হয় নাই।সেখানে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের মাথাপিছু ৩০ টাকা করে নাস্তা বরাদ্দ আছে কিন্তু মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা খাতুন দায়িত্ব থাকাকালীন সময়ে মাথাপিছু মাত্র ১০ থেকে ১২ টাকার নাস্তা দেওয়া হতো বাকি টাকা আত্মসাৎ করেতেন এবং প্রত্যেক ক্লাবে আট থেকে দশ জনের নাস্তা দেওয়া হতো।আর বাকি শিক্ষার্থীদের কোন নাস্তা দেওয়া হতো না।এ বিষয়ে দূর্গাপুর মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেন্ডার প্রমোটোর শফিকুল ইসলাম বলেন,আমি দূর্গাপুর পৌরসভার সিংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,৬ নং মাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,৩ নং পানাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,৫ নং ঝালুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিশোর কিশোরী ক্লাবের দেখাশোনার দায়িত্বে আছি।প্রতি শুক্র শনিবার ৩ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত ক্লাস হয়।সব দিনে পর্যাপ্ত ছেলেপেলে উপস্থিত থাকে না কিছু কম বেশি থাকে।আর ছাত্র-ছাত্রীদের নাস্তার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এটা অফিসিয়াল ব্যাপার অফিসের কর্মকর্তা জানেন বলে এড়িয়ে যান।অপরদিকে কিশোর কিশোরী ক্লাবের দায়িত্বরত জেন্ডার প্রোমোটর খাদিজাতুল কোবরা এর সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন,আমি বাদইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,শ্রীধরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাজুখলসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পালশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্বে আছি।তিনি বলেন ছাত্র-ছাত্রী সবগুলো উপস্থিত না থাকলেও মোটামুটি উপস্থিত থাকে সপ্তাহে দুই দিন বিকেল ৩ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত ক্লাস হয়।তবে গত সপ্তাহ কিশোর কিশোরীদের কোন নাস্তা দেওয়া হয় নাই।এ বিষয়ে জানতে চাইলে দূর্গাপুর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা খাতুন মুঠোফোনে জানান,আমি পবাতে আসছি।ওখানে(দূর্গাপুর) যে জয়েন্ট করবে তাকে আমি চার্জ বুঝিয়ে দিব।কিশোর কিশোরী ক্লাবের বাচ্চাদের নাস্তার বিষয় জানতে চাইলে, তিনি বলেন ওখানে জেন্ডার প্রমোটর আছে তারা এগুলোর দায়িত্ব পালন করেন।গত শুক্রবার ও শনিবার নাস্তা না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে,তিনি বলেন হয়তো বরাদ্দ নাই তাই দেওয়া হয় নাই।আপনি তাদের সাথে কথা বলেন বলে ফোন কেটে দেন তিনি।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page