২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
“একবার সুযোগ দিন, উন্নয়ন করে দেখাবো” — নেছারাবাদে সোহেল মনজুর সুমন তানোরের মুন্ডুমালা বাজার থেকে গ্রামগঞ্জে ধানের শীষের গণসংযোগ রাজশাহী-১ আসনে বিএনপি-জামায়াতের হেভিওয়েট লড়াই, এগিয়ে শরীফ উদ্দিন রাজশাহীর খড়খড়িতে মর্মান্তিক ঘটনা: মাকে হত্যার পর রাস্তায় ফেলে পালাতে গিয়ে ছেলেসহ আটক ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইলেন সাবেক চেয়ারম্যান মোমিনুল হক (মোমিন) ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে দাঁড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে -জাফর সাদেক চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত প্রার্থীর মত বিনিময় সাম্য ও মানবিক লোহাগাড়া গড়তে ধানের শীষে ভোট দিন বাগমারায় কলাবাগান থেকে জ/বাই করা লা/শ উদ্ধার ৩০০নং আসনে সাচিং প্রু জেরীর পক্ষে ১নং ওয়ার্ড পৌর বিএনপির উদ্যোগে বালাঘাটায় ধানের শীষের প্রচারণা
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য >> কিশোরগঞ্জ
  • কিশোরগঞ্জে রসুনসহ রকমারি মসলা চাষে শাহজাহান আলীর দিন বদল
  • কিশোরগঞ্জে রসুনসহ রকমারি মসলা চাষে শাহজাহান আলীর দিন বদল

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    আনোয়ার হোসেন-কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)প্রতিনিধি>>> রন্ধনশালায় খাবারের স্বাদ বাড়াতে অন্যান্য মসলার পাশাপাশি রসুন,পেঁয়াজ ও আদার জুড়ি নেই।এসব মসলার চাহিদার তুলনায় উৎপাদন অনেক কম।এতে ঘাটতি মেটাতে,মোটা অংকের টাকা ব্যয় করে আমদানি করতে হয় বাইরের দেশ থেকে।পাশাপাশি সময়-অসময়ে গুনতে হয় অগ্নি বাজার মূল্য।এ থেকে উত্তোরণে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে শাহাজাহান আলী নামে এক শিক্ষিত বেকার যুবক,স্থানীয় চাহিদা মিটানোসহ আমদানি বানিজ্যের উপর চাপ কমাতে ও দেশের টাকা দেশে রাখতে সাদা কাঁচা সোনা খ্যাত রসুন,পেঁয়াজ ও আদা চাষে ঝুঁকে পড়েছেন।তিনি লেখাপড়ার পাঠ চুকিয়ে চাকরি নামের সোনার হরিণের পিছনে না ছুটে ওইসব মসলা চাষের নেশায় ও পেশায় মত্ব হয়ে পড়েন।শুধু এতেই নয়,বিএসসি পাস এ কৃষি উদ্যোক্তা গনিতের সূত্রকে কাজে লাগিয়ে এক ঢিলে মারছেন দুই পাখি।এক ঢিলে দুই পাখি মারার অর্থ হচ্ছে এক কৌশলে দুই উদ্দেশ্য সাধন করা।যা একই খরচে আদার জমিতে সাথী ফসল হিসেবে চাষাবাদ করছেন হলুদ,বেগুন,ঝিঙ্গা,কাঁচা মরিচ,করলা,শিমসহ রকমারী সবজি ও কলার নিচে পেঁয়াজ চাষ।যা বিগত কয়েক বছর ধরে উৎপাদিত মসলাদির বাম্পার ফলন ও কাক্ষিত বাজার মূল্য পেয়ে প্রতি মৌসুমে কম বেশি অর্ধকোটি টাকা আয় করেন।এ আয়ে তিনি দিন বদল করে ফেলেছেন।অর্থনৈতিকভাবে হয়ে উঠেছেন স্বাবলম্বী।কাঁচা বাড়ির স্থলে গড়ে তুলেছেন ইট-পাথরের অবকাঠামো।কিনেছেন কয়েক বিঘা জমি ও মোটর সাইকেল।ছেলে-মেয়েদের লেখা-পড়ার খরচ চালাচ্ছেন দিব্বি।এ কৃষি উদ্যোক্তা মাগুড়া মাষ্টার পাড়া গ্রামর বাসিন্দা।সরেজমিনে মাগুড়া মিয়া পাড়া ব্লকে গিয়ে কথা হয় শাহজাহান আলীর সাথে।তিনি জানান,বিগত কয়েক বছরের নেয় গেলবার ৪ বিঘা(১২০শতাংশ)জমির বুননকৃত রসুন ১ লাখ টাকা খরচ করে সাড়ে ১২হাজার টাকা মন দরে ৩৭ লাখ টাকা বিক্রি করেন।খরচ বাদে ৩৬ লাখ টাকা আয় করেন।এমন সফলতায় চলতি মৌসুমে সাড়ে ৫ বিঘা (১৬৫ শতাংশ)জমিতে রসুন বুনেন।বর্তমানে সেই রসুন উত্তোলন করে বাড়িতে সংরক্ষণ করেন।আনুমানিক প্রতি বিঘায় ফলন পাবেন ৭৫থেকে ৮০মন।ওই পরিমান জমিতে উৎপাদন খরচ দাঁড়ায় ২লাখ টাকা।খরচ বাদে ৪০লাখ,৩৩ শতাংশ চাষযোগ্য ও কলার নিচে সাথী ফসল পেঁয়াজে দেড় লাখ,৪৫শতাংশ জমিতে আদায় খরচবাদে ৭লাখ,একই(আদার)জমিতে সাথী ফসল বেগুনে ২লাখ,হলুদে ৮০হাজার,কাঁচা মরিচ ও অন্য সবজিতে ২৫থেকে ৩০হাজারসহ সব মিলে অর্ধকোটিরও বেশি টাকা আয় হবে এমন আশা তার।এমন সফলতা দেখে অন্য কৃষকরা রসুন,পেঁয়াজ ও আদা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।উপজেলা কৃষি অফিসার লোকমান আলম বলেন,চলতি বছর রসুন ৬৮হেক্টর,পেঁয়াজ ৯৮হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।শাহজাহান আলী একজন অগ্রগামী কৃষক।তিনি কৃষি অফিস থেকে মসলা চাষে প্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহন করে প্রতি বছর রসুন,পেঁয়াজ,আদা ও সাথী ফসল চাষ করে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন।তার উৎপাদিত রসুন,পেঁয়াজ,আদা স্থানী চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন জেলা শহরে সরবরাহ করে থাকেন।এর মধ্যে দিয়ে এক দিকে যেমন আমদানি নির্ভরতা কমছে অন্য দিকে তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।চাষাবাদে মাঠ পর্যায়ে স্বার্বিক পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page