মো:জামাল উদ্দিন জাহেদ প্রতিনিধি (চট্টগ্রাম)>>> বাঁশখালীতে বালু না ঢেকে ট্রাকে পরিবহন করা হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন সড়কে বেপরোয়া গতিতে এ যান চলার সময় বালু উড়ে পড়ছে।সে বালু অনেক সময় পথচারীদের চোখেমুখে এবং রাস্তার পাশের বাড়িঘরে গিয়ে পড়ে।এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।সম্প্রতি দেখা যায়,বাঁশখালী,সড়কের ওপর দিয়ে শতাধিক গাড়ি বালু না ঢেকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছে।এ ছাড়া উপজেলার পুইছড়ী,বৈলছড়ী,চাম্বল,শীলকুপ,কালিপুর, সাধনপুর,পুকুরিয়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের সড়কেও একই অবস্থা দেখা গেছে।বেপরোয়া গতির গাড়ি চলায় বালু বাতাসে উড়ে মানুষের চোখেমুখে গিয়ে পড়ে।এ ছাড়া রাস্তার পাশে বাড়িঘরেও গিয়ে পড়ছে এসব বালু।এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।মোটরসাইকেল আরোহী মো:আনিছুর রহমান হানিফ বলেন, ‘রাস্তা দিয়ে বালু না ঢেকে বহন করে নিয়ে যায়,ড্রামট্রাক।মাঝেমধ্যেই সেই বালু গাড়ি থেকে বাতাসে উড়ে চোখেমুখে পড়ে।এতে দুর্ঘটনার মতো ঘটনাও ঘটে।তাই প্রশাসনের কাছে এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ কামনা করছি।’পুইছড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা মো:আবু হানিফ বলেন, ‘বাঁশখালীর মহাসড়ক দিয়ে রিকশা-সি এনজি-মোটরসাইকেল দিয়ে চলাচল করা যায় না।শাখা সড়ক দিয়ে বালু বা মাটি বহন করে নিয়ে যায় ড্রামট্রাক।গাড়িগুলো চলার কারণে গাড়ি থেকে মাটি ও বালু পড়ে রাস্তায় ধুলায় একাকার হয়ে যায়।মাঝেমধ্যে গাড়ি থেকে বালু উড়ে চোখেমুখে পড়ে। এতে মানুষের দুর্ভোগ হয়।কিন্তু প্রশাসনের নজরে পড়ে না।’ড্রামট্রাকের চালক মো. কবির আহমেদ বলেন,‘আমার গাড়িতে বালু ঢাকার জন্য কাগজ আছে।কিন্তু তাড়াহুড়ার কারণে না ঢেকে এসেছি।তবে ভবিষ্যতে আর এ রকম করব না।আগে জানতাম না যে,বালু উড়ে মানুষের চোখেমুখে পড়ে ক্ষতি হয়।এখন যেহেতু জানতে পারলাম, ভবিষ্যতে এ রকম কাজ আর আমার দ্বারা হবে না।’











মন্তব্য