৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
বাগমারায় কলাবাগান থেকে জ/বাই করা লা/শ উদ্ধার ৩০০নং আসনে সাচিং প্রু জেরীর পক্ষে ১নং ওয়ার্ড পৌর বিএনপির উদ্যোগে বালাঘাটায় ধানের শীষের প্রচারণা চট্টগ্রাম বন্দরে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি কর্তৃপক্ষের সখিপুরে জাতীয় পার্টি থেকে শতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান লোহাগাড়ায় যৌথ অভিযানে ৪৫ রোহিঙ্গা আটক বাঁশখালীতে সেনাবাহিনীর অভিযানে সন্ত্রাসী আটক ও অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার উভয় পক্ষই চায় ভবনের দখল দাঁড়িপাল্লার কাছে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজন নেই, শাহজাহান চৌধুরী সনাতনী ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দিতে আহ্বান বিএনপি প্রার্থীর পেশাজীবীদের সঙ্গে চাটখিলে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীর মতবিনিময়
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • এক্সক্লুসিভ >> ঠাকুরগাঁও >> দেশজুড়ে >> রংপুর >> শীর্ষ সংবাদ >> সোস্যাল মিডিয়া
  • রাণীশংকৈলে মাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য পুকুরে মাছের খাদ্য হিসেবে ক্ষতিকারক ব্রয়লারের লিটার প্রয়োগ
  • রাণীশংকৈলে মাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য পুকুরে মাছের খাদ্য হিসেবে ক্ষতিকারক ব্রয়লারের লিটার প্রয়োগ

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    মোঃ জয়নাল আবেদীন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

    ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ২ নং নেকমরদ ইউনিয়নের ভবানন্দপুর গ্রামের গপনিহাড় পুকুরে অবৈধ বজ্র পদার্থ প্রয়োগ করে মাছের বৃদ্ধি ঘটাতে প্রয়োগ করা হচ্ছে ব্রয়লারের দূর্গন্ধ যুক্ত লিটার।ঐ বিষাক্ত পদার্থ মানুষের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সেইসাথে পঁচা ও দূর্গন্ধের কারণে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।শনিবার (২৯ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে নেকমরদ বাজারের পূর্ব পার্শ্বে কাতিহাড় রোডে গপনিহাড় পুকুরে নিষিদ্ধ এই বজ্রপদার্থ দূর্গন্ধযুক্ত লিটার ট্রাক্টরের ট্রলিতে পলিথিন দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় এনে পুকুরে দিতে দেখা যায়।
    লিটার নিয়ে আসা ট্রাক্টরের ড্রাইভার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই লিটার বহন করে আসছে এবং মৎস্যচাষীরা ব্যবহার করছে তাতে তাদের কোন কিছুই হচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
    কয়েকজন স্হানীয় বলেন,এই লিটারের গাড়ী যে রাস্তা দিয়ে যায়। গাড়ী যাওয়ার পরেও এর বিশ্রী দূর্গন্ধ ৩/৪ ঘন্টা পর্যন্ত থাকে। আসলে অদৌকি এই গুলো ব্রয়লারের লিটার নাকি অন্য কিছু এমন মন্তব্য করেন সাধারণ মানুষ। এমন দূর্গন্ধযুক্ত পদার্থ যেন পুকুরে ব্যবহার করা না হয় তার জন্য প্রসাশনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতন সমাজ।বিষয়টি রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানালে, তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা ভূমি অফিসার ইন্দ্রজিত সাহাকে অবহিত করেন। তিনি এলাকার বাইরে থাকায় তদন্তের জন্য ইউনিয়ন সহকারী ভুমি অফিসার ভূপাল চন্দ্র রায়কে তদন্তে পাঠান। তাৎক্ষণিকভাবে সম্পূর্ণ ব্রয়লারের লিটার পুকুরের পানিতে মিশিয়ে ফেলেন। ভুমি অফিসার ইন্দ্রজিত সাহা জানান, ওই পুকুরে হারুন নামে একজন মাছচাষ করেন। পরবর্তীতে যাতে কোন প্রকারের ব্রয়লারের লিটার প্রয়োগ করতে না পারে সেরূপ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান তিনি।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page