রাবি প্রতিনিধি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শাহ্ মথদুম, এবং আব্দুল লতিফ হলে রাখাল বন্ধু, ১৫ বছর ধরে গরুর দুধ বিক্রি করছেন। ছুইপার কলেনিতে, ৩ ছেলে ২ মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন।বিএ পাসের পর ঘুষের টাকার অভাবে চাকরি হয়নি ছেলের। রাখাল বন্ধু জানান, মতিহার হলের বাবুর্চি ছিলেন দীর্ঘদিন, হিন্দু বলে, কেরামত, এবং আলতাফ সাহেব বাতিল করে দিলো চাকরিটা।” সত্য কথা বলাই যাবেনা, আখেরি জামানা এখন, গরিব কখনো মরেনা, আমিও মরিনি।”তিনি আরও বলেন, ২টা গাভী ৮/১০ কেজি দুধ হয় প্রতিদিন তিন হলে দুধ দিতাম, অনেকেই টাকা না দিয়ে চলে গেছে। “এই শাহ্ মখদুম হলের ১১২ নম্বর রুমে ৩ জন টাকা না দিয়ে চলে গেছে ৫ বছর আগে, ৩য় তলায় একজন ১মাস প্রতিদিন ১/২ কেজি দুধ নিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে বলে আর দিতে রবোনা। এক ছেলে এক মাস দুধ নিয়ে ১০০ দিয়ে বলে বন্ধু বাকিটা মাফ করে দিও এর পর থেকে নগদ টাকায় দুধ নিবো। বন্ধু ভেবেছি বাশ ডুকাই দিছে, অনেকেই বলে বন্ধু চা খেয়ে যেও।তিনি আরও জানান, কিছুদিন আগে তার ছেলেকে হাতে চাকু মেরে ৫০০ টাকা নিছে, আমি চিনি তাকে নামও জানি, কি করবো বলেন? সত্য কথা বললে বিপদ আমাকে কমে ছারবেনা। ছেলের চাকরি দেখে যেতে চাই, এজন্য বেঁচে আছি। যাদের কাছে টাকা পাই জোর নাই, দিলে দিবে। কিছু বললে হয়তো বলবে “চুদির ভাই আমার নামে দুর্নাম করিস বলে, মেরে দিবে ঘুষি, ঠেকাবেন আপনি?
ইনসান আলী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
মন্তব্য