আবদুর রাজ্জাক।। কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বনভূমি জবর-দখল ঠেকাতে উচ্ছেদ অভিযান করতে গিয়ে জবর-দখলকারী লাঠিয়াল বাহিনীর হামলায় রাজারকুল সদর বিট কর্মকর্তা জহিরুল আলম ও দারিয়ারদীঘী বিট কর্মকর্তা আরজো মিয়াসহ ২৮ বনকর্মী আহত হয়েছে।এসময় জবর-দখলকারী লাঠিয়াল বাহিনীর সদস্যরা বনকর্মিদের কাছ থেকে একটি রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে স্হানীয় মেম্বার আবদুল্লাহ বিদ্যুৎ এসে রাইফেল টি উদ্ধার করে বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করেন।আহতদের মধ্যে রাজারকুল সদর বিট কর্মকর্তা জহিরুল আলমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাধীন রামু রাজারকুল রেঞ্জের দারিয়ারদীঘি বিটের খুনিয়াপালং ইউনিয়নের কম্বোনিয়া এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।কক্সবাজার সদরের রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর রঞ্জন সাহা জানান, ওই এলাকার স্থানীয় ২০ জনকে ঘর নির্মাণের জন্য এককালীন ৭০ হাজার করে টাকা প্রদান করে একটি সৌদি এনজিও। কিন্তু তারা ওই টাকায় বনভূমিতে পাকা ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালায়। অবৈধ ঘর নির্মাণের খবরে সহকারী বন সংরক্ষক আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে বনকর্মীরা বাধা দেয় এবং ৫ টি ঘর উচ্ছেদ করে। ওই সময় তিন থেকে চার শ’ জবর-দখলকারী লাঠিয়াল বাহিনী বনকর্মীদের ওপর আক্রমণ করে। এতে ২৮ বনকর্মী আহত হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয় । আহতদের মধ্যে রাজারকুল সদর বিট কর্মকর্তা জহিরুল আলমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্র খুনিয়া পালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল হক কোম্পানি ও রামু থামার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
মন্তব্য