মোঃ জয়নাল আবেদীন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ২ নং নেকমরদ ইউনিয়নের ভবানন্দপুর গ্রামের গপনিহাড় পুকুরে অবৈধ বজ্র পদার্থ প্রয়োগ করে মাছের বৃদ্ধি ঘটাতে প্রয়োগ করা হচ্ছে ব্রয়লারের দূর্গন্ধ যুক্ত লিটার।ঐ বিষাক্ত পদার্থ মানুষের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সেইসাথে পঁচা ও দূর্গন্ধের কারণে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।শনিবার (২৯ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে নেকমরদ বাজারের পূর্ব পার্শ্বে কাতিহাড় রোডে গপনিহাড় পুকুরে নিষিদ্ধ এই বজ্রপদার্থ দূর্গন্ধযুক্ত লিটার ট্রাক্টরের ট্রলিতে পলিথিন দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় এনে পুকুরে দিতে দেখা যায়।
লিটার নিয়ে আসা ট্রাক্টরের ড্রাইভার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই লিটার বহন করে আসছে এবং মৎস্যচাষীরা ব্যবহার করছে তাতে তাদের কোন কিছুই হচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
কয়েকজন স্হানীয় বলেন,এই লিটারের গাড়ী যে রাস্তা দিয়ে যায়। গাড়ী যাওয়ার পরেও এর বিশ্রী দূর্গন্ধ ৩/৪ ঘন্টা পর্যন্ত থাকে। আসলে অদৌকি এই গুলো ব্রয়লারের লিটার নাকি অন্য কিছু এমন মন্তব্য করেন সাধারণ মানুষ। এমন দূর্গন্ধযুক্ত পদার্থ যেন পুকুরে ব্যবহার করা না হয় তার জন্য প্রসাশনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতন সমাজ।বিষয়টি রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানালে, তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা ভূমি অফিসার ইন্দ্রজিত সাহাকে অবহিত করেন। তিনি এলাকার বাইরে থাকায় তদন্তের জন্য ইউনিয়ন সহকারী ভুমি অফিসার ভূপাল চন্দ্র রায়কে তদন্তে পাঠান। তাৎক্ষণিকভাবে সম্পূর্ণ ব্রয়লারের লিটার পুকুরের পানিতে মিশিয়ে ফেলেন। ভুমি অফিসার ইন্দ্রজিত সাহা জানান, ওই পুকুরে হারুন নামে একজন মাছচাষ করেন। পরবর্তীতে যাতে কোন প্রকারের ব্রয়লারের লিটার প্রয়োগ করতে না পারে সেরূপ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান তিনি।











মন্তব্য