আবদুর রাজ্জাক।। মহেশখালীর কুতুবজোমে জমানো গুধিতে লবণ পরিমাপে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছে। আহতদের অবস্থা আশংকজনক হওয়ায় তাদেরকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে (২০ই অক্টোম্বর) শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় কুতুবজোম ইউনিয়নের কালামিয়া বাজার।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ভাষ্যমতে, স্থানীয় জব্বর বাপের খুম নামক চিংড়ি ঘেরে লবণ এর গুধি থেকে জমানো লবণ উত্তোলন নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় লাল মোহাম্মদ সিকদার পাড়া গ্রামের ফোরকান আহমদ এর পুত্র মকছুদ মিয়া গং এর সাথে একই এলাকার অলী আহমদ এর পুত্র এরশাদ ও ওমর কাজীর পুত্র ছিদ্দীক আহমদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এই সময় এরশাদ গং এর বাধার মুখে মকছুদ গং’রা লবণ উত্তোলণ করতে পারে নি।এই ঘটনার জের ধরে ২০ই অক্টোম্বর সন্ধ্যা ৭টায় মকছুদ গং’রা কালামিয়া বাজারে এরশাদ গং দেরকে গালিগালাজ করতে থাকে। তাৎক্ষনিক এরশাদ গং এর লোকজন জড়ো হয়ে মকছুদ গং দের উপর হামলা চালায়। দা, ছুরি সহ স্থানীয় বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে ব্যাপকভাবে কাটা রক্তাক্ত সংঘর্ষে আহত হয় মোঃ আলী রাজার পুত্র মোঃ সোহেল(১৮)কে মহেশখালী হাসপাতাল থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পৌছলে মোঃ সোহেলকে মৃত ঘোষনা করে চিকিৎসক। অপর আহতরা হলে মোঃ ফোরকানের পুত্র জালাল মিয়া, মকছুদ মিয়া, ইমাম শরীফের পুত্র মোঃ আলী মিয়া(৫০) গুরুতর আহত হয়।স্থানীয় লোকজন দ্রুত আহতদের মহেশখালী হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করে। সেখানে সোহেল এর মৃত্যু ঘটে। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে মহেশখালী থানার ওসি সুকান্ত চক্রবর্তীর নের্তৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কালামিয়া বাজারে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে ব্যাপক সংঘর্ষ বা লুটপাঠ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য