৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
৩০০নং আসনে সাচিং প্রু জেরীর পক্ষে ১নং ওয়ার্ড পৌর বিএনপির উদ্যোগে বালাঘাটায় ধানের শীষের প্রচারণা চট্টগ্রাম বন্দরে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি কর্তৃপক্ষের সখিপুরে জাতীয় পার্টি থেকে শতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান লোহাগাড়ায় যৌথ অভিযানে ৪৫ রোহিঙ্গা আটক বাঁশখালীতে সেনাবাহিনীর অভিযানে সন্ত্রাসী আটক ও অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার উভয় পক্ষই চায় ভবনের দখল দাঁড়িপাল্লার কাছে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজন নেই, শাহজাহান চৌধুরী সনাতনী ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দিতে আহ্বান বিএনপি প্রার্থীর পেশাজীবীদের সঙ্গে চাটখিলে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীর মতবিনিময় চাটখিলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • এক্সক্লুসিভ >> দেশজুড়ে >> নীলফামারী >> রংপুর >> শীর্ষ সংবাদ >> সোস্যাল মিডিয়া
  • কিশোরগঞ্জে ২৮বছর বিনা পারিশ্রমিকে চাকরি করে মানবেতর জীবন সেকেন্দার আলীর
  • কিশোরগঞ্জে ২৮বছর বিনা পারিশ্রমিকে চাকরি করে মানবেতর জীবন সেকেন্দার আলীর

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    আনোয়ার হোসেন-কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

    নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিনা পারিশ্রমিকে ২৮ বছর চাকরি করে সেকেন্দার আলী নামে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ বানিজ্যের কাছে হেরে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেকেন্দার আলী রংপুর অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা উপ-পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সেকেন্দার আলী ১৯৯৫ সালে শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঝাড়ুদার পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। কিন্তু জনবল কাঠামোর মঞ্জুরি না থাকায় তিনি এমপিও-ভুক্ত হননি। ২০২১ সালের ২৮ মার্চ ওই পদটি নাম পরিবর্তন করে পরিচ্ছন্নকর্মী হিসেবে সমন্বয় করা হয়। ওই সময়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের সম্মতিক্রমে তার পদটিও সমন্বয় করে নিয়োগ দেয়া হয়। এর জন্য তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে আরো পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেছেন ওই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মালেক।
    সেকেন্দার আলী বলেন, ‘দীর্ঘ দিন বিনা পারিশ্রমিকে চাকরি করে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। আমার পরিবারের খরচ যোগাতে বর্তমানে হিমশিম খাচ্ছি। এক মেয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ও এক ছেলে কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছে, তাদের খরচ জোগাতে পারছি না। এ অবস্থায় অধ্যক্ষের চাহিদার পাঁচ লাখ টাকা দিতে না পারায় অন্য প্রার্থীকে নিয়োগ প্রদান করেছেন অধ্যক্ষ।’
    অভিযোগের বিষয়ে শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মালেকের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এটিএম নূরল আমিন শাহ্ অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘ভুক্তভোগী আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও অভিযোগ দিয়েছে। তারা আমাকে যে নির্দেশ করবে, আমি সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।’

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page