সোহেল রানা,তানোর(রাজশাহী) প্রতিনিধি :
রাজশাহীর তানোরের আদিবাসি কিশোরী ধর্ষনের ঘটনা ১৭ দিন পার হলেও এখন পর্যন্ত প্রধান আসামি জনি কে আকট করতে পারেনি তানোর থানা পুলিশ। এতোদিন যাবত আসামি আটক না করতে পারাই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে আদিবাসিদের মধ্যে।এদিকে আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে বিশাল মানববন্ধন করেছেন আদিবাসিরা।সোমবার (২অক্টোম্বর) বেলা ১২ টার সময় তানোর থানা মোড়ে কলমা ইউনিয়ন পারগানা পরিষদ ও উত্তরবঙ্গ আদিবাসি ফোরামের আয়োজনে মানববন্ধন করেন আদিবাসিরা। মানববন্ধনে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের ৪৮ ঘন্টার সময় বেধে দেওয়া হয় পুলিশকে। অনথায় আরো বিশাল আন্দোলন গড়ে তোলার হবে বলে বক্তব্যদেন আদিবাসি নেতারা।উপজেলা পারগানা পরিষদের সভাপতি রমেশ র্মুর্মু এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্যদেন উত্তরবঙ্গ আদিবাসি ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটি সভাপতি হিংগু র্মুর্মু কলমা ইউনিয়ন পারগানা ফিলিপ হেমরন তালন্দ ইউনিন পারগানা জেঠা টুডু উত্তরবঙ্গ শিশু উন্নয়ন প্রকল্পের ম্যানেজার গনেষ মার্ডি প্রমুখ।উত্তরবঙ্গ আদিবাসি ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি প্রভাত টুডু বলেন,ধর্ষন একটি সামাজি ব্যাধী। আসামী দ্রত সময়ে গ্রেফতার করে শাস্তির আওতাই আনা পুলিশের কর্তব্য। ১৭ দিন যাবত শুধু পুলিশ শান্তনা দিয়ে যাচ্ছে । ধর্ষনের শিকার আদিবাসি কিশোরী পরিবার ধর্ষক আটক না হওয়াই তারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। আমরা ৪৮ ঘন্টা সময় দিয়েছি। অনথায় বড় আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।তানোর থানা অফিসাস ইনচার্জ (ওসি ) আব্দুর রহিম বলেন,অভিযুক্ত দুইজন আসামির মধ্যে একজনকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়েছে। প্রধান আসামি জনি কে আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যহত আছে যে কোন সময় তাকে আটক করা হবে।অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির সালবাড়ি সল্লাপাড়া আদিবাসিপাড়ার জনেক ব্যাক্তি ৫ম শ্রেনীর পড়ুয়া মেয়ে এবং ১০ বছরের ছেলে ১৬ সেপ্টেম্বর শনিবার স্কুল ছুটি থাকায় দুই ভাই বোন বাড়ি ছেড়ে আধা কিলোমিটার দুরে মাঠে খাড়ির ধারে ক্যাসে ঘাস কাটতে যায়।দুই ভাই বোনই চক রহমত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। এমন সময় এক গ্রামে মনিরুল ইসলামের ছেলে জনি (৩২) এবং আবুল কালামের ছেলে আলি (৩৬) ফাকা মাঠে দুপুরে ছোট দুই ভাই বোন পেয়ে আলি তার ছোট ভাইকে গাছের সঙ্গে বেধে ধরে রাখে আর জনি ৫ম শ্রেনীর ছাত্রীকে জোর করে মুখে গামছা দিয়ে আটকিয়ে ধর্ষন করে ফেলে রেখে চলে যাই। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ধর্ষনের শিকার আদিবাসি ছাত্রীকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা।(১৬ সেপ্টেম্বর) শনিবার দুপুরে উপজেলার কলমা ইউপির সালবাড়ি সল্লাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষনের ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদি হয়ে শনিবার রাতে দুইজনকে আসামি করে তানোর থানায় একটি ধর্ষনের মামলা দায়ের করেছেন।
মন্তব্য