৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
চট্টগ্রাম বন্দরে কার্যক্রম শুরু, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধর্মঘট স্থগিত চট্টগ্রামে ভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন,৬ শতাধিক কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ৪০০ গজের ভিতর সাধারণ ভোটারদের মোবাইল ব্যবহার নিয়ে কঠোর নির্দেশনা পটিয়ায় হৃদয় নামের এক তরুণের আত্মহত্যা। চট্টগ্রাম-১১ আসনে দাঁড়ি পাল্লার সমর্থনে নারী মিছিলে মহিলাদের ঢল চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে সরকার কঠোর হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থী ও সমর্থকরা অচল চট্টগ্রাম বন্দর, সংকটে জাতীয় অর্থনীতি, মূক্তি কিভাবে! সাতকানিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ ২ সন্ত্রাসী আটক চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৩ আসামি গ্রেফতার
আন্তর্জাতিক:

পাবনায় হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

জামাল হোসেন পাবনা জেলা প্রতিনিধি>>

পাবনায় আবুল কালাম হত্যা মামলায় আটজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একেই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে খালাস দেওয়া হয়।রোববার (৯ জুলাই) বিকেলে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বেগম শামীম আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার শ্রীকোল গ্রামের মো. মোতাহার হোসেন, মো. সাইদুল ইসলাম, আলাই, আক্কাছ আলী ফকির, শাহিন, রমজান আলী প্রামাণিক, মো. সাইফুল ইসলাম ও আতাউর রহমান। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. সাইদুল ইসলাম ও মো. সাইফুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পলাতক।আদালত সূত্র জানায়, সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার আবুল কালাম তার পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য দণ্ডপ্রাপ্তদের সঙ্গে অলিখিত চুক্তিবদ্ধ হন। এ জন্য তারা এক লাখ টাকা দাবি করেন। আবুল কালাম ৪০ হাজার টাকা অগ্রিম দেন। বাকি ৬০ হাজার টাকা জমি উদ্ধারের পর দেওয়া কথা বলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দণ্ডপ্রাপ্তরা কালামকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ২০১৬ সালের ২৪ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দণ্ডপ্রাপ্তরা আবুল কালামকে হত্যার জন্য পাবনা সদর উপজেলার শ্রীকোল পশ্চিমপাড়ায় কৌশলে ডেকে নিয়ে আসেন। এক কোপে দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন তারা।এ ব্যাপারে আবুল কালামের ছেলে সুরুজ আলী বাদী হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে পাবনার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বেগম শামীম ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুস সামাদ খান রতন বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা আদালতের এ আদেশে খুশি।তবে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী শাজাহান আলী খান। তিনি বলেন, এ রায়ের আমাদের মক্কেল ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page