৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
প্রেস ক্লাবের সমস্যা সাংবাদিকদেরই ঐক্যবদ্ধভাবে সমাধান করতে হবে: চট্টগ্রামে তথ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত : মেয়র ডা. শাহাদাত চট্টগ্রামে ৫ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, দুই মাদককারবারি গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে ১,৬৭৩ বর্জ্য সংগ্রাহক পেল ইউনিলিভারের সুরক্ষা সামগ্রী পার্বত্য রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ: জেলা পরিষদ পুনর্গঠন ঘিরে বাড়ছে গুঞ্জন দক্ষিণ চট্টগ্রামে উন্নয়নের মহাবিপ্লব: ৪ লেনে উন্নীত হচ্ছে আনোয়ারা-চকরিয়া মহাসড়ক খুলনা থেকে জাতীয় রাজনীতিতে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় রোক্সার রহমান প্রথম লেগের দাপটেই ফাইনালে অ্যাটলেটিকো মধ্যপ্রাচ্যে মহাযুদ্ধ: অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ ও পঞ্চম দিনের সর্বশেষ পরিস্থিতি
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য
  • তানোরে ইউপি কম্পিউটার অপারেটরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
  • তানোরে ইউপি কম্পিউটার অপারেটরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    তানোর,প্রতিনিধি >>> রাজশাহীর তানোরের চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের(ইউপি)কম্পিউটার অপারেটর আলো বেগমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসীর পক্ষে জুড়ানপুর গ্রামের দারেজ আলীর পুত্র বিএম আহম্মেদ বাদি হয়ে আলো বেগমের বিরুদ্ধে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও ইউপি প্রশাসক মোহাম্মদ হোসেন খাঁনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।বিগত প্রায় ১৭ বছর আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যানের প্রভাব বিস্তার করে আলো বেগম বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।জানা গেছে,উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নে (ইউপি) চলতি বছরের দুঃস্থ মাতা কার্ডের আবেদন করতে এলাকায় মাইকিং করা হয়। মাইকিং করার পর এলাকার অসহায় দরিদ্র নারীরা ইউপি প্রশাসক বরাবর আবেদন করেত ইউপি কার্যালয়ে আসেন।এসময় প্যানেল চেয়ারম্যান মেজর আলীর সহায়তায় কম্পিউটার অপারেটর আলো বেগম আবেদনকারীদের কাছে থেকে মাথা পিছু দুশ’ টাকা করে হাতিয়ে নেন। ইউপিতে নতুন প্রায় সাড় তিনশ’ নারী দুঃস্থ মাতা ভাতার আবেদন করেছেন। মেজর আলীর সহায়তায় এসব দুঃস্থ নারীদের কাছে থেকে আলো বেগম প্রায় ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কিন্ত্ত সাড়ে তিনশ’ আবেদনকারীর কারোই দুঃস্থ মাতার কার্ড হয়নি। তবে কার্ড না হলেও তারা কোনো টাকা ফেরত পাইনি পুরো টাকা মেজর আলীর সহায়তায় আলো বেগম আত্মসাৎ করেছেন।লিখিত অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, শুধু দুঃস্থ মাতা নয় মাতৃকালীন ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, পঁঙ্গু ভাতা, বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতার কার্ডের জন্য আবেদন করতে গেলে মেজর আলীর সহায়তায় এসব অসহায় গরীব মানুষের কাছ থেকে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করেন আলো বেগম। কেউ টাকা না দিলে তাকে কার্ড দেওয়া যাবে না বলে অপমান- অপদস্ত করে তাড়িয়ে দেয়া হয়। ইউপিবাসী এবিষয়ে সরেজমিন তদন্ত পুর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও ইউপি প্রশাসক মোহাম্মদ হোসেন খাঁন বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।এবিষয়ে জানতে চাইলে কম্পিউটার অপারেটর আলো বেগম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দুঃস্থ মাতার আবেদন করতে মাথা পিছু ৫০ টাকা করে নেয়া হয়েছে,এবং এই টাকা তারা স্বেচ্ছায় দিয়েছেন।এবিষয়ে ইউপি বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন  ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, অনেকে তাদের কাছে অভিযোগ করেছেন।তারা আলো বেগমকে অপসারন করে নতুন অপারেটর নিয়োগের দাবি করেছেন।এবিষয়ে জানতে চাইলে প্যানেল চেয়ারম্যান মেজর আলী বলেন,আলো বেগম কোনো বেতন পান না,কম্পিউটারে কাজ করে কিছু টাকা নেন,এটা তারা খুশি হয়েই দেন, এনিয়ে এতো বাড়াবাড়ি করার কি আছে।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page