রিপোর্টঃ তৌহিদুল ইসলাম মাসুম >>> ট্রাফিক কন্ট্রোল পুলিশের কাছ থেকে সরিয়ে অন্য কোনো দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক স্টেকহোল্ডারের হাতে দেওয়া এখন সময়ের দাবি। বর্তমান ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মধ্যে নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন চোখে পড়ে না। বরং ধান্দাবাজি আর ফাঁকিবাজিতেই তাদের বেশিরভাগের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ।
দক্ষিণ চট্টগ্রামে বিভিন্ন জায়গায় ট্রাফিক পুলিশ থাকা সত্ত্বেও তাদের কাউকে বাস্তবে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায় না। তাদের চোখের সামনেই বাসগুলো ৩-৪ সারি করে দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলে, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে, লাইসেন্স বিহীন গাড়ি চলে তবু কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। গাড়ি থামিয়ে ধান্দাবাজি কিংবা পুলিশ বক্সে বসে অলস সময় কাটানোতেই তারা ব্যস্ত থাকে।
এদের দিয়ে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সম্ভব নয়। এমনকি মসজিদের দারোয়ানি করতে দিলে সেখানেও হয়তো মুসল্লিদের কাছে চাঁদা চাইবে এরা।
এই ফোর্সে প্রযুক্তির ব্যবহারকে প্রাধান্য দিতে হবে—যেমন স্মার্ট সিসিটিভি, ই-টিকিটিং, ডিজিটাল সিগন্যাল সিস্টেম এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক মনিটরিং সিস্টেম। পাশাপাশি সদস্যদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কঠোর শৃঙ্খলাবিধি নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করতে হলে একটি সুশৃঙ্খল, আধুনিক ও দুর্নীতিমুক্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা অপরিহার্য। আর এজন্য বিদ্যমান ব্যর্থতার জায়গায় নতুন উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় বাংলাদেশের মতো গণবসতি পূর্ণ একটা দেশে সড়কের বিশৃঙ্খলা, যাত্রীদের দুর্ভোগ এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি ক্রমে বাড়তেই থাকবে।











মন্তব্য